
চার মাসে, বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা পৌনে দুই লাখ। এরমধ্যে, দুই মাসের বেশি সময় বন্ধ রাখার পর গণপরিবহন চালু হয় সীমিত আকারে। তবে যাত্রী পরিবহনে, শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না। এমন বাস্তবতায় গণপরিবহনে যাতায়াতে বাড়ছে সংক্রমণ ঝুঁকি।
বাংলাদেশে করোনাভাইরাস শনাক্তের প্রথম আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসে ৮ মার্চ। এরপর ১৮ই মার্চ প্রথম কোন রোগি মৃত্যুর কথা জানায় আইইডিসিআর। চারমাসে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাড়িয়েছে পৌনে দুই লাখ, আর মৃত্যু প্রায় সোয়া দুই হাজার। সংক্রমণরোধে সরকার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে, বন্ধ রাখে গণপরিবহন।দুইমাসের বেশি সময় বন্ধ থাকার পর, গত পহেলা জুন থেকে অর্ধেক যাত্রী নিয়ে ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার শর্তে, সীমিত আকারে যাত্রী পরিবহনের অনুমতি দেয়া হয়। বাসে আসন খালি থাকার জন্য ৬০ শতাংশ বর্ধিত ভাড়াও আদায় করা হচ্ছে। তবে প্রশ্ন উঠেছে যাত্রীসেবার মান নিয়ে, আসলেই কতোটা মানা হচ্ছে সরকার নির্দেশিত স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি?
রাজধানীর বেশিরভাগ এলাকা ঘুরে দেখা যায়, অধিকাংশ বাসে স্বাস্থ্যবিধি মানার প্রবণতা একেবারে নামমাত্রই। যাত্রী অর্ধেক নেয়া হলেও, শৃংখলা নেই উঠানামার ক্ষেত্রে। ঠেলাঠেলি করেই যাত্রী তুলছে হেলপার, হাতে কোনরকম স্প্রে ছিটিয়েই দায় সারা। তাও নেই বেশিরভাগ বাসে। বিভিন্ন পয়েন্টে ট্রাফিক পুলিশের তৎপরতা থাকলেও তাদের ছোখ গলিয়ে পাগার পার হয় গণপরিবহন। যাত্রীরা বলছেন, বাড়তি ভাড়া দিয়েও সুরক্ষিত নন তারা।
এভাবে চলতে থাকলে, করোনা সংক্রমণ আরো ব্যাপক আকার ধারণ করতে পারে বলে মনে করে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি।এ বিষয়ে, ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি এনায়েত উল্যাহ বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মানতে তাঁদের পক্ষ থেকে সব ধরণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। যারা স্বাস্থ্যবিধি মানছে না, তাঁদের বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেয়ার আহবান জানান সংশ্লিষ্টরা।
বাংলাটিভি/শহীদ



