
দেশের প্রায় সবকটি নদ-নদীর পানি বেড়েই চলেছে। প্লাবিত হয়েছে নিম্নাঞ্চল। বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় দুর্ভোগে পড়েছেন বানভাসী মানুষ। বাড়িঘরের আসবাবপত্র, গবাদিপশু নিয়ে ছুটছেন আশ্রয়ের আশায়। খাবার,বিশুদ্ধ পানি,পয়ঃনিষ্কাশন নিয়ে বিপাকে পানিবন্দি মানুষ। জামালপুরের বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। জেলার ৭ উপজেলার প্রায় ৬ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় যমুনার পানি ৪ সেন্টিমিটার বেড়ে সকালে বাহাদুরাবাদ পয়েন্টে বিপদসীমার ১২৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ পর্যন্ত বন্যায় প্রায় দেড় লাখ পরিবার ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে এবং পানিতে ডুবে কয়েকজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
সিরাজগঞ্জে প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা। গত ২৪ ঘন্টায় যমুনার পানি ২৫ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে সিরাজগঞ্জ হার্ডপয়েন্টে বিপদসীমার ৯২ এবং কাজিপুরে ১২১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। জেলার ৫ উপজেলার প্রায় ২ লাখ মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। অনেকে আশ্রয় নিয়েছেন বাঁধের ওপর। তবে, পরিস্থিতির অবনতি হলেও বাঁধের ভেতরে বন্যা হওয়ার কোন সুযোগ নাই বলে জানান,নির্বাহী প্রকৌশলী
কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্র ও ধরলার পানি বিপদসীমার অনেক উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় জেলার বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে। ঘর-বাড়ি ও নলকুপ তলিয়ে থাকায় প্রায় ২ লক্ষাধিক মানুষ বিশুদ্ধ খাবার পানি ও খাদ্য সংকটে পড়েছে। সরকারীভাবে বন্যার্ততদের জন্য ১৬০ মেট্রিক টন চাল ও ৮ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে কুশিয়ারাসহ শাখা নদ-নদীর পানি বিপদ সিমার অনেক ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। দ্বিতীয় দফায় বন্যার কবলে পড়ে উপজেলার ১টি পৌরসভা ও ৮টি ইউনিয়নের প্রায় লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।
বাংলাটিভি/শহীদ



