গ্রীসে অর্থনৈতিক মন্দার মুখে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা

গ্রীসে করোনা সংক্রমণ আবারো বেড়ে গেলেও, পর্যটননির্ভর দেশ হওয়ায় গ্রিক সরকার এখন আর লকডাউনের কথা ভাবছে না। তবে লকডাউন পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে আইন চালু করেছে।
এদিকে, করোনার কারণে দেশটিতে অনেক প্রবাসী কর্মহীন হয়ে অর্থ সংকটে রয়েছেন। সরকারি অফিস -আদালত বন্ধ থাকায়, অনেকেই তাদের বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও চিকিৎসাসহ অনেক ধরণের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। আবার অনেক বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেবার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
করোনা মহামারির কারণে গ্রীসে অর্থনৈতিক মন্দায় চরম সংকটে পড়েছেন, ওই অঞ্চলে থাকা বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা। বিশেষ করে, গ্রীসে ক্ষুদ্র ও মাঝারি বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান টিকিয়ে রাখতে রীতিমত হিমশিম খাচ্ছেন। অনেকে লোকসানের মুখে, তাদের ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছেন।
এর মাঝেও কিছু গার্মেন্টস ব্যবসায়ী তাদের সুনাম অক্ষুন্ন ও ব্যবসার ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে, নিজের পকেটের টাকা দিয়ে শ্রমিকদের মজুরী সময়মতো পরিশোধ করছেন। এমনি একটি বাংলাদেশি মালিকানাধীন গার্মেন্টস কারখানা ‘ফিমা ফ্যাশন’।
এর কর্ণধার নুরুল আমিন দেওয়ান করোনা পরিস্থিতির মাঝেও, ব্যবসা এবং শ্রমিকদের ধরে রাখতে সামাজিক দু্রত্ব বজায় রেখে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। সেখানে কাজ করতে পেরে খুশি প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা। প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের নিজের পরিবারের সদস্য বলেই মনে করেন, প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার।
অন্যদিকে, বড় ধরনের লোকসান গুণেও, বর্তমান সময় পর্যন্ত যারা টিকে আছেন, তারাও ভবিষ্যৎ অন্ধকার দেখছেন। ব্যবসার ভরা মৌসুমে ইউরোপের বিখ্যাত শহরগুলো পর্যটনশূণ্য এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোও রয়েছে ক্রেতাশুণ্য।
জাকির হোসাইন, বাংলা টিভি, গ্রীস



