জাতিসংঘে মত প্রকাশের স্বাধীনতা বিষয়ক বিশেষ দূত হলেন বাংলাদেশের আইরিন খান

জাতিসংঘে মত প্রকাশের স্বাধীনতা বিষয়ক বিশেষ দূতের দায়িত্ব পেয়েছেন বাংলাদেশের আইরিন জুবাইদা খান। ২০১৪ সালে নিয়োগ পাওয়া ডেভিড কায়ির পরিবর্তে তাকে এই দায়িত্ব দেয়া হলো। চলতি মাস থেকে শুরু করে টানা ৩ বছর এ দায়িত্ব পালন করবেন তিনি। তার দেশের বাড়ি সিলেটে।
এর আগে ২০০১ সালে প্রথম এশীয় মুসলিম নারী হিসেবে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সপ্তম মহাসচিব হন তিনি । ১৯৫৬ সালের ২৪ ডিসেম্বর আইরিন খান ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি পূর্ব পাকিস্তানের একটি বিত্তবান পরিবারে বেড়ে ওঠেন। এরপর পড়াশোনার জন্য ইংল্যান্ডে যান এবং সেখানে ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি অফ ম্যানচেস্টারে পড়াশোনার পর, তিনি হার্ভার্ড ল স্কুলে পড়তে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যান।
সেখানে তিনি আন্তর্জাতিক আইন এবং মানবাধিকার নিয়ে গবেষণা করেন। এরপর ২০০২ সালে ফোর্ড ফাউন্ডেশন ফেলোশিপ এবং পিলকিংটন ওম্যান অব দ্য ইয়ার পুরস্কার পান, এরপর ২০০৬ সালে, সিডনি শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। ২০০৭ সালে গেন্ট বিশ্ববিদ্যালয় তাকে একটি প্রাতিষ্ঠানিক সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি দেয়।
ম্যানচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন চ্যান্সেলর নির্বাচনের জন্য যে দু’জন ব্যক্তি মনোনীত হন, তার মধ্যে তিনি একজন।আইরিন খান অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মহাসচিব থাকাকালীন বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার মানবাধিকার পরিস্থিতি ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে কাজ করেন।



