
১২ ভাদ্র ১৪২৭, মহা-বিদ্রোহের রণতূর্য বাদক, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৩৮৩ বঙ্গাব্দের এই দিনে চিরবিদায় নেন এই প্রেম, মানবতা ও সাম্যের কবি। দিনটি উপলক্ষে তার কবরে শ্রদ্ধা জানিয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন। তাদের প্রত্যাশা, কবির দেখনো পথ ধরেই সৃষ্টি হবে অসাম্প্রদায়িক সমাজ ব্যবস্থা।
১৮৯৯ খ্রিষ্টাব্দের ২৪ মে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন দুখু মিয়া। ছেলে বেলা থেকেই পারিবারিক অভাব-অনটনে শিক্ষাজীবনে খুব একটা এগোতে পারেননি এই মানবতার কবি।
তার পরও প্রখর মেধাবী দুখু মিয়া নানা চড়াই উৎরাই পেরিয়ে এগিয়ে চলেন দুর্বার গতিতে। সময়ের সাথে সাথে সেই দুখু মিয়াই এক সময় হয়ে ওঠেন কাজী নজরুল ইসলাম। ১৯৭২ সালের ২৪ মে ভারত সরকারের অনুমতিক্রমে কবি নজরুলকে সপরিবারে বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয়। ভূষিত করা হয় জাতীয় কবির উপাধিতে।
১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন সাম্য ও দ্রোহের এই কবি। দিনটি উপলক্ষে সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে কবির কবরে শ্রদ্ধা জানান বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতা এবং ভক্ত-অনুরাগীসহ সাধারণ মানুষ।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে অসাম্প্রদায়িক দেশ গঠনে জাতীয় কবির ভুমিকা তুলে ধরেন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিরা। অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র গঠনে জাতীয় কবির অবদান চির স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলেও, এ সময় জানান তারা।
বুলবুল আহমেদ, বাংলা টিভি



