
শনিবার (৩০ জানুয়ারি) বেলা পৌনে ১১টায় প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি ডিজিটাল পদ্ধতিতে ২০২০ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থীদের মূল্যায়নের ফলাফল ঘোষণার কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। এর আগে, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট থেকে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ৯টি সাধারণ শিক্ষাবোর্ড ও কারিগরি ও মাদ্রাসা বোর্ডের চেয়ারম্যানদের কাছ থেকে ফলাফল গ্রহণ করেন।
পরীক্ষা ছাড়াই প্রকাশ করা এইচএসসির ফলাফলে রেকর্ড সংখ্যক শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন। এবার ১ লাখ ৬১ হাজার ৮০৭ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন; যা ২০১৯ সালের তুলনায় তিনগুণ বেশি। ওই বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল মাত্র ৪৭ হাজার ২৮৬ জন এবং তার আগের বছর অর্থাৎ ২০১৮ সালে ২৯ হাজার ২৬২ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-প পেয়েছিলেন।
শতকরা হিসেবে ২০২০ সালে জিপিএ-৫ পেয়েছেন মোট পরীক্ষার্থীর ১১ দশমিক ৮৩ শতাংশ। আর ২০১৯ সালে যা ছিল মোট পরীক্ষার্থীর ৩ দশমিক ৫৪ শতাংশ। এছাড়া, ২০১৯ সালে মোট পাসের হার ছিল ৭৩ দশমিক ৯৩ শতাংশ এবং ২০১৮ সালে ছিল ৬৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ।
এর আগে, ১৯৭১ সালে পরীক্ষা ছাড়া সব শিক্ষার্থীকে পাস করানো হয়েছিল। এবার করোনাকালে সেই একই পথে হাঁটল সরকার।
এবার ঢাকা বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৯২৬ জন। এছাড়া রাজশাহী বোর্ডে ২৬ হাজার ৫৬৮ জন, দিনাজপুর বোর্ডে ১৪ হাজার ৮৭১ জন, যশোর বোর্ডে ১২ হাজার ৮৯২ জন, চট্টগ্রাম বোর্ডে ১২ হাজার ১৪৩ জন, কুমিলা বোর্ডে ৯ হাজার ৩৬৪ জন, বরিশাল বোর্ডে ৫ হাজার ৫৬৮ জন, ময়মনসিংহ বোর্ডে ১০ হাজার ৪০ জন, সিলেট বোর্ডে ৪ হাজার ২৪২ জন, মাদ্রাসা বোর্ডে ৪ হাজার ৪৮ জন ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ৪ হাজার ১৪৫ জন জিপিএ-৫ পেয়েছেন।
এদিকে, ফলাফল সংগ্রহের জন্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জমায়েত সম্পূর্ণ নিষেধ উল্লেখ করে করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ফল পেতে ক্লিক করতে হবে ডাব্লিউ ডাব্লিউ ডাব্লিউ ডট, এডুকেশন বোর্ড রেজাল্টস ডট, জিওভি ডট, বিডি (www.educationboardresults.gov.bd) তে।
এসএমএসের মাধ্যমে ফল পেতে আগেই প্রি রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। HSC স্পেস বোর্ডের প্রথম তিন অক্ষর স্পেস রোল নাম্বার স্পেস টু- জিরো- টু- জিরো (2020) টাইপ করে পাঠাতে হবে ওয়ান সিক্স-টু -টু -টু (16222) নম্বরে।



