
রবিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের উদ্বোধনের মধ্যদিয়ে সারাদেশে একযোগে করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন (টিকা) দান শুরু হয়েছে। এসময় তিনি স্বাস্থ্য অধিদফতরে উপস্থিত হয়ে সারাদেশের সিভিল সার্জন, সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কথা বলেন।
এর আগে সকাল ৯টায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে টিকাদান শুরু হয়। এসময় টিকা নেন বিচারপতি জিনাত আরা হক ও বিচারপতি ইনায়েতুর রহিম। এদিকে, নিজে ভ্যাকসিন নিয়ে চট্টগ্রামে করোনা ভ্যাকসিন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।
সারাদেশে ১ হাজার ৫টি হাসপাতালে ২ হাজার ৪শ’ টিম কাজ করছে। রাজধানীর সরকারি ৫০টি হাসপাতালে দেয়া হচ্ছে করোনার টিকা। ঢাকা উত্তর সিটির ৩০টি ও দক্ষিণ সিটির ১৯টি কেন্দ্রে ৩শ ৪৩টি টিম টিকা প্রয়োগে কাজ করছে।
তবে রেজিস্ট্রেশনের জন্য গেল ৪ঠা ফেব্রুয়ারি অ্যাপটি গুগল প্লে স্টোরে আসার কথা থাকলেও তা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। তাই যারা করোনার টিকা পেতে অগ্রাধিকারের তালিকায় রয়েছেন এবং অনলাইনে আবেদন করতে পারছেন না তাদের জন্য স্পটে রেজিস্ট্রেশনের ব্যবস্থা করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
নিবন্ধনের পর টিকা নিতে আগ্রহীদের অপেক্ষা করতে হবে এসএমএসের জন্য। এছাড়া চার সপ্তাহ পর করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) দ্বিতীয় ডোজ দেয়া হবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। গত ২৭ ও ২৮শে জানুয়ারি যারা টিকা নিয়েছেন তারা সবাই সুস্থ আছেন বলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।



