দিনাজপুরে অসময়ে আসছে ঝাঁকে-ঝাঁকে অতিথি পাখি

দিনাজপুরে অসময়ে আসছে ঝাঁকে-ঝাঁকে অতিথি পাখি। এসব পাখির ছন্দময় ডানা ঝাপটায় মুখর গোটা শহর।গাছে গাছে বিচিত্র রঙ আর নানা প্রজাতির পাখির কলতান এখন দিনাজপুরের প্রাণকেন্দ্র নিমনগর বালুবাড়ীতে। গাছে গাছে আশ্রয় নিয়েছে অতিথি পাখিরা। শীতের শুরুতে এসব অতিথি পাখি হাওড়,বিল ও জলাশয়ে দেখা গেলেও এবার আগাম দেখা যাচ্ছে,এই অঞ্চলে।পাখি দেখতে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ অনেকেই আসছেন।
দিনাজপুরের প্রাণকেন্দ্র নিমনগর বালুবাড়ীতে গাছের ওপর কয়েকশ পানকৌড়ি,নিশি বক আর সাদা বকের কলকাকলি। এরমধ্যে কোনটি উড়ছে, কোনটি ডাকছে। পুকুরে পাখিকে মাছ শিকারে ব্যস্ত থাকলেও এসব পাখি অন্য কোথাওেউড়ে যায়না। এ শহরের মানুষগুলোও পাখি প্রেমিক। এখানে কেউ পাখি শিকার করেনা। পরিবেশ ও নিজেদের স্বার্থেই পাখিদের রক্ষা করা প্রয়োজন বলে মনে করে এলাকার মানুষ।
পাখির অনুকূল পরিবেশ তৈরি হওয়ায়, শহরের বালুবাড়ীতে কয়েক হাজার পাখির স্থায়ী আবাসস্থলে পরিণত হয়েছে। এখানে সব সময় পাখির কিচির মিচির শব্দে মুখরিত থাকে। তবে বর্ষা মৌসুমে ২৫-৩০ হাজার বর্ষালি পাখির আনাগোনা থাকে বেশী।অনবরত শোনা যায় ডাহুকের ডাক। তবে পরিবেশ উন্নয়নে পাখিদের রক্ষা ও সংরক্ষনের বিশেষ অনুরোধ জানায়,স্থানীয়রা।
অতিথি পাখিদের সংরক্ষনে বিভিন্ন ধরনের পরিকল্পনার কথা জানান,জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা।দিনাজপুরের নিমনগর বালুবাড়ীতে পাখিদের অভয় আশ্রম গড়ে তুলতে প্রশাসনের ব্যবস্থা নেয়ার দাবী এলাকাবসীর।
ডেস্ক রিপোর্ট/ বাংলা টিভি/এস



