
দেশের আলোচিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির গ্রাহক ও সরবরাহকারীদের কাছে দেনা বেড়ে এক হাজার কোটি টাকা দাঁড়িয়েছে। র্যাব জানিয়েছে ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ইভ্যালির দায় ছিল ৪০৩ কোটি টাকা, যেখানে তাদের সম্পদ ছিল ৬৫ কোটি টাকা।
র্যাব জানিয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার রাসেল আমাদের কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। সর্বশেষ দায় মেটাতে ব্যর্থ হলে ইভ্যালিকে দেউলিয়া ঘোষণার পরিকল্পনাও ছিল রাসেলের।
শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর) র্যাব সদর দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।
এর আগে, প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাসেল ও তার স্ত্রী চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের র্যাব সদর দপ্তরে নিয়ে যাওয়া হয়।
এসময় র্যাব জানায়, ইভ্যালিতে মো. রাসেল ও তার স্ত্রী শামীমা নাসরিনের বিনিয়োগ ছিল খুবই কম। তাদের ব্যবসায়িক কৌশল ছিল নতুন গ্রাহকের ওপর দায় চাপিয়ে দিয়ে পুরোনো গ্রাহক ও সরবরাহকারীদের দেনা আংশিক পরিশোধ করা। এভাবে তারা ‘দায় ট্রান্সফারের’ মাধ্যমে ব্যবসা করছিলেন জানিয়ে র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন মো. রাসেল জেনেশুনেই এই নেতিবাচক কৌশল গ্রহণ করেন বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন।
বাংলাটিভি/ সাকিব



