
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও প্রথমবারের মতো ফাইনালে উঠে ভাগ্য বদলালো না নিউজিল্যান্ডের। বরং অদম্য অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৮ উইকেটে হেরে দীর্ঘশ্বাসে আরও ভারি হলো নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেট। উল্টো দিকে ৫ ওয়ানডে বিশ্বকাপ জেতা অস্ট্রেলিয়া ঘরে তুললো তাদের প্রথম টি-টোয়েন্টির ট্রফি।
পুরনো পরিসংখ্যান বলে ১৯৮১ সালের পর নকআউটের কোন ম্যাচেই অস্ট্রেলিয়াকে হারাতে পারেনি নিউজিল্যান্ড। দুবাইয়েও সেই রেকর্ড অক্ষুণ্ন রাখতে অস্ট্রেলিয়া একপেশে ভঙ্গিতে খেলেছে।
অস্ট্রেলিয়া ১৭৩ রানের লক্ষ্যে খেলতে নামলে কখনোই মনে হয়নি কিউই বোলিং আক্রমণে তাদের রুখে দিতে পারবে। অথচ ম্যাচের আগে অজিদের ব্যাটিং লাইন আপের সঙ্গে কিউই বোলিংয়ের জমজমাট লড়াইয়েরই আলোচনা ছিল।
তৃতীয় ওভারে অ্যারন ফিঞ্চের উইকেট নেওয়া গেলেও ডেভিড ওয়ার্নার-মিচেল মার্শের ৯২ রানের জুটিটি ছিল অপ্রতিরোধ্য। মারকুটে ব্যাটিংয়ের মেজাজটা ধরে রেখে দুজনেই দলকে এগিয়ে নিয়েছেন। বোল্ট ৩৮ বলে ৫৩ রান করা ওয়ার্নারকে বোল্ড করলেও অস্ট্রেলিয়া ততক্ষণে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ প্রায় নিয়ে নিয়েছে। নিয়ন্ত্রণ আরও পোক্ত হয়েছে মার্শের মারমুখী ব্যাটিংয়ে। রান রেটের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে তার আগ্রাসী ব্যাটিংয়েই ৭ বল থাকতে জয় নিশ্চিত হয় অস্ট্রেলিয়ার। সঙ্গী ম্যাক্সওয়েল ১৩ বলে ২৮ রানে অপরাজিত ছিলেন। তবে ম্যাচ জেতানো মার্শ ৫০ বলে খেলেছেন ৭৭ রানের হার না মানা ইনিংস। তাতে ছিল ৬টি চার ও ৪টি ছয়। মার্শ-ম্যাক্সওয়েল জুটিতে যোগ হয় ৬৬ রান। নিউজিল্যান্ডের হয়ে দুটি উইকেট নেন ট্রেন্ট বোল্ট। ম্যাচসেরা হয়েছেন মার্শ, আর টুর্নামেন্ট সেরা ডেভিড ওয়ার্নার।



