
কাল ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস। মুজিববর্ষ ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০তম সূবর্ন রজত জয়ন্তি।বাঙ্গালী জাতি গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে জাতির সূর্য সন্তান বীর শহীদদের।দিবসের সূচনালগ্নে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেঁদী সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা ও ভালবাসায় ভরে উঠবে ফুলে ফুলে।শ্রদ্ধা জানাবেন রাষ্ট্রপতি,প্রধানমন্ত্রী,মন্ত্রী পরিষদের সদস্যবৃন্দ,যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা,বিরোধী দলীয় নেতা,বিএনপির মহাসচিবসহ লাখো জনতা। ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে নানা রং বেরং এর ফুল দিয়ে সাজানো,ধোয়ামূছা ও রংতুলির কাজ।স্মৃতিসৌধ ও এর আশপাশের এলাকায় নেয়া হয়েছে নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
আগামীকাল ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসে পূর্ব দিগন্তে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে জাতির সুর্যসন্তান বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন রাষ্ট্রপতি আঃ হামিদ,প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা,জাতীয় সংসদের স্পীকার,বিরোধী দলীয় নেতা,মন্ত্রী পরিষদের সদস্যবৃন্দ,কুটনৈতিক কোরের ডিন,যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা,বিএনপির মহাসচিবসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক,সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন সমূহসহ লাখো জনতা।
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে দেয়া হবে তিন বাহিনীর গার্ড অব অনার।রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী চলে যাওয়ার পর স্মৃতিসৌধ সকলের জন্য উন্মক্ত করে দেয়া হবে।
দিবসটি উপলক্ষে বাহারী রং-বেরং এর ফুলের সমারোহে নতুনরুপে সাজানো হয়েছে জাতীয় স্মৃতিসৌধ ও এর আশপাশের এলাকাকেও।শেষ হয়েছে শেষ মূহুর্তের ধোয়া,মুছা ও রংতুলির কাজ।
সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য স্মৃতিসৌধকে পুরোপুরি প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জানান সাভার গণপূর্ত বিভাগের এ কর্মকর্তা।
নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাড়তি নজরদারী,ওয়াচ টাওয়ার নির্মান,সিসিটিভি স্থাপনসহ স্মৃতিসৌধ ও এর আশপাশের এলাকায় নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে বলে জানান ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার।
বাংলাটিভি/শহীদ



