অববাহিকা ভিত্তিক আন্তঃসীমান্ত নদীর পানি ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর

এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরে পানি সংক্রান্ত অভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সঠিক চর্চা, জ্ঞান ও প্রযুক্তি বিনিময় করতে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
ওয়াটার ফলস সাসটেইনেবল ডেভলপমেন্ট বেস্ট প্রাক্টিস এন্ড নেক্সট জেনারেশন শীর্ষক প্রতিপাদ্য নিয়ে জাপানের একটি শহরে শুরু হওয়া দুইদিনের চতুর্থ এশিয়া প্যাসিফিক ওয়াটার সামিটে এক ভিডিওবার্তায় প্রধানমন্ত্রী এ আহ্বান জানান। আন্তঃসীমান্ত নদীগুলোর পানি ব্যবস্থাপনার জন্য অববাহিকা ভিত্তিক পদ্ধতির প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, টেকসই উন্নয়ন এবং শান্তি সংস্কৃতির উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। প্রধানমন্ত্রীর আরো বলেন পানির সম্পর্কিত এসডিজিসহ পানির বিষয়ে আন্তর্জাতিক প্রতিশ্রুতি প্রদানের জন্য সরকার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে ঋণী। তরুণরা যাতে টেকসই পানি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে পারে সে লক্ষ্যে তাদের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে হবে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।
আমরা আমাদের উপকূলীয় অঞ্চলে ভূমি পুনরুদ্ধার ও উঁচু করার জন্য বঙ্গোপসাগরে প্রবাহিত পলির স্তুপ ব্যবহার করার জন্য উন্মুখ।
তিনি বলেন, বাংলাদেশও ব্লু ইকোনমির সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে প্রস্তুত রয়েছে। তাঁর সরকার পানির উপর জলবায়ু পরিবর্তনের ব্যাপক প্রভাব সম্পর্কে সচেতন উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ উপকূলীয় এলাকায় ক্রমবর্ধমান লবণাক্ততা অনুপ্রবেশ ও দেশের কিছু অংশে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নীচে নেমে যেতে দেখা যাচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘আমাদের সরকার বৃষ্টির পানি সংগ্রহসহ প্রাকৃতিক সমাধানের ওপর জোর দিচ্ছে।’
তিনি বলেন, বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা লবণাক্ততা ও পানি-প্রতিরোধী এবং খরা-সহনশীল ফসলের উন্নয়নে কাজ করছে এবং ইতোমধ্যে বেশ কিছু জাত উদ্ভাবন করেছে।
‘আমরা আমাদের জলাভূমি রক্ষা করার জন্য একটি প্রতিবেশ ভিত্তিক পদ্ধতি গ্রহণ করছি। তিনি আরো বলেন, আমরা আমাদের নদীগুলিকে জীবন্ত সত্তা হিসেবে স্বীকৃতি দিই।
বাংলাটিভি/শহীদ



