ধরা পড়ার ভয়ে স্কুলছাত্রকে হত্যা, তিনজনের মৃত্যুদণ্ড

২০২৪ সালের ৮ ডিসেম্বর, কোচিং থেকে বাসায় ফেরার পথে অপহরণের শিকার হয় চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী আহনাফ আল মাঈন। অপহরণকারীরা তার বাবার কাছে ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। তবে অপহরণ চলাকালীন আহনাফ তার পরিচিত একজনকে চিনে ফেলায়, ধরা পড়ে যাওয়ার ভয়ে তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।
১২ ডিসেম্বর ফেনী সদরের দেওয়ানগঞ্জ রেললাইনের পাশের একটি ডোবা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
আজ বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি, ২০২৬), ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ এন এম মোরশেদ খান এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। আদালত ঘটনার সাথে সরাসরি জড়িত ৩ জন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছেন।
অপরাধীরা হল, আশরাফ হোসেন চৌধুরী শিক্ষার্থী, ফেনী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ,মো. মোবারক হোসেন সিএনজি অটোরিকশাচালক , ওমর ফারুক লক্ষ্মীপুরের বাসিন্দ।
গ্রেপ্তারের পর তিনজনই আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
গত বছরের ৩০ মার্চ পুলিশ চার্জশিট জমা দেয় এবং ২৫ মে তা গ্রহণ করা হয়। মামলায় মোট ২২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য নেওয়া হয়।
রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন এবং রায় শেষে তাদের কড়া পাহারায় কারাগারে পাঠানো হয়।
ছেলের হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ সাজা পাওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন আহনাফের বাবা মাঈন উদ্দিন। তিনি বলেন, “আমার ছোট ছেলের হত্যাকারীদের রায়ে আমি সন্তুষ্ট। এখন দ্রুত এই ফাঁসির রায় কার্যকর করার দাবি জানাই।”



