প্রেমিকের সঙ্গে পালালেন স্ত্রী, লজ্জায় স্বামীর সঙ্গে আত্মহত্যা ঘটকের

মাত্র ৬০ দিনের দাম্পত্য জীবন। এর মধ্যেই এক তরুণীর গৃহত্যাগ এবং প্রেমিকের হাত ধরে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় ভারতের কর্ণাটকে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। তবে ঘটনাটি কেবল বিচ্ছেদে সীমাবদ্ধ থাকেনি; স্ত্রীর এমন আচরণে লোকলজ্জা আর মানসিক যন্ত্রণা সইতে না পেরে আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছেন স্বামী এবং এই বিয়ের মধ্যস্থতাকারী ঘটক।
এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুই মাস আগে তরুণী সরস্বতী ও যুবক হরিশের বিয়ে হয়। গত ২৩ জানুয়ারি মন্দিরে যাওয়ার নাম করে বাড়ি থেকে বের হন সরস্বতী। এরপর আর ফিরে না আসায় পরিবার পুলিশে খবর দেয়। তদন্তে বেরিয়ে আসে, সরস্বতী তার প্রাক্তন প্রেমিক শিবকুমারের সাথে পালিয়ে গেছেন।
স্ত্রীর চলে যাওয়ার খবর পেয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন হরিশ। একটি সুইসাইড নোটে নিজের মৃত্যুর জন্য দায়ীদের নাম উল্লেখ করে তিনি আত্মহত্যা করেন। এই মৃত্যুর রেশ কাটতে না কাটতেই আত্মঘাতী হন সরস্বতী চাচা রুদ্রেশ, যিনি এই বিয়ের ঘটকালি করেছিলেন। নিজের ঠিক করা বিয়েতে এমন বিপর্যয় মেনে নিতে না পেরে ৩৬ বছর বয়সী এই ব্যক্তিও পৃথিবী ছেড়ে চলে যান।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে চাঞ্চল্যকর এক তথ্য উঠে এসেছে। হরিশ আগে থেকেই সরস্বতীর প্রেমের সম্পর্কের কথা জানতেন, তবুও পরিবারের সম্মতিতে তাকে বিয়ে করেছিলেন। বর্তমানে এই ঘটনার প্রেক্ষিতে, অভিযুক্ত স্ত্রী সরস্বতীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ সুপার উমা প্রশান্ত জানিয়েছেন, ঘটনার গভীর তদন্ত চলছে এবং দুটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে।



