বিশ্ববাংলা

১০ লাখ পেশাজীবীর কানাডায় স্থায়ীভাবে বসবাস করার সুযোগ তৈরী হয়েছে

পরিবারসহ কমপক্ষে ১০ লাখ পেশাজীবীর এই মুহুর্তে কানাডায় স্থায়ীভাবে বসবাস করার সুযোগ তৈরী হয়েছে। ২০১৬ সালে করা একটি আদমশুমারির তথ্য মতে, কানাডাতে বর্তমানে শিশুদের জন্মের তুলনায় বয়ষ্ক মানুষের সংখ্যা দিন দিন অধিকহারে বাড়ছে। এজন্য ২০১৮,২০১৯ ও ২০২০ সালে অর্থাৎ তিন বছরে কানাডার বিভিন্ন প্রদেশে পর্যায়ক্রমে ১০ লাখের বেশি পেশাজীবী বিভিন্ন খাতে নেয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দেশটির সরকার। ইমিগ্রশন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সুযোগটি কাজে লাগাতে পারে বাংলাদেশীরা।

কানাডা বিশ্বের সবচেয়ে ধনী দেশগুলির একটি। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই দেশটির সরকারী ভাষা ইংরেজি ও ফরাসি।

১৫তম শতকের শুরুতে ইংরেজ এবং ফরাসি অভিযাত্রীরা আটলান্টিক উপকূল আবিষ্কার করে এবং পরে বসতি স্থাপনের উদ্যোগ নেয়। কানাডার বর্তমান সংবিধান ১৯৮২ সালে রচিত হয়। কাঠ ও খনিজ তেল আহরণ শিল্প কানাডার প্রধানতম দুটি ভারী শিল্প। কানাডার প্রায় বিশ্ববিদ্যালয়েই ইংরেজি ও ফরাসি দুটি ভাষাতেই পড়াশোনা করা যায়। বছরে ৮ মাস বরফাচ্ছন্ন থাকা এই দেশটি ১৯৭১ সালে প্রথম মাল্টিকালচার দেশ হিসাবে নিজের নাম প্রস্তাব করে।

প্রতি বছর লক্ষাধীক ইমিগ্রান্ট দেশটিতে যায়। এদের বেশীরভাগই চায়নীজ,ভারতীয়, পান্জাবী এবং শ্রীলংকান হলেও বাংলাদেশিদের সংখ্যাও দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

অনেকেরই ইচ্ছা থাকে কানাডাতে পরিবারসহ স্থায়ী হবার। তাই পৃথিবীর অন্য দেশের মতো বাংলাদেশের পেশাজীবীরাও ১০ ক্যাটাগরিতে আবেদন করতে পারবেন। সাধারণত এক্সপ্রেস এন্ট্রি ও পিএনপি ধরনের প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে আবেদন করা যায়।

কানাডায় ইমিগ্রেশন সম্পর্কে আন্তর্জাতিক অভিবাসন আইন বিশেষজ্ঞ শাহনাজ পারভিন জানান,মূলত যেকোনো ডিপ্লোমাধারী অথবা ডিগ্রি পাসধারী দক্ষ ও অভিজ্ঞ পেশাজীবীরা সুযোগটা কাজে লাগাতে পারেন।

এই অভিবাসন বিশেষজ্ঞ বলছেন, বাংলাদেশিরা যদি প্রথম থেকেই দ্রুত ও দক্ষতার সাথে ফাইল প্রসেস করে,তবে স্বল্প সময়ের মাঝেই ভিসা পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারে।

রনক হাসান, বাংলা টিভি, ঢাকা।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close