আইন-বিচারনির্বাচনবাংলাদেশ

নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারছেন না খালেদা জিয়া

বিএনপি’র চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারছেন না। তার পক্ষে দাখিল করা তিনটি আসনের মনোনয়নপত্রই বাতিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামতের ভিত্তিতে তার প্রার্থিতা বাতিলের এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসি। দলের পক্ষ থেকে তিনটি আসনে তার মনোনয়নপত্র দাখিল করা হয়েছিল। ইসির এ সিদ্ধান্তের পর চূড়ান্তভাবে নির্বাচন থেকে ছিটকে পড়লেন তিনি।

শুনানি শেষে  খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র বৈধ বলে রায় দেন নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার। এরপর নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র অবৈধ বলে রায় দেন। তিনি বলেন, ‘দুর্নীতির দুই মামলায় খালেদা জিয়া সাজাপ্রাপ্ত হয়েছেন। তিনি নির্বাচনের অযোগ্য। এই কারণে তার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করলাম। অপর নির্বাচন কমিশনার কবিতা খানম ও ব্রিগেডিয়ার শাহাদৎ হোসেন চৌধুরী একই যুক্তি দেখিয়ে খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেন।

প্রথম দফা শুনানি শেষে সাংবাদিকদের কাছে সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি জয়নুল আবেদীন বলেন, ‘রিটার্নিং কর্মকর্তা খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র আর্টিকেল ১২/ডি- ওয়ান অনুয়ায়ী বাতিল করেছে। আমরা এর বিরুদ্ধে আপিল করেছি। আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে নির্বাচন কমিশন মনোনয়ন বাতিল করলেও কারাগারে থাকা অবস্থায় এ আইন লঙ্ঘনের কোনো সুযোগ নেই। নির্বাচন কমিশন যে গ্রাউন্ডে মনোনয়ন বাতিল করেছে সেই গ্রাউন্ডের বিরুদ্ধে আমরা আপিল করেছি। এই আপিল অবশ্যই বৈধ রায়ের যোগ্য। সুতরাং মনোনয়ন বাতিলের কোনো সুযোগ নেই।’

খালেদা জিয়ার আপিল ঘোষণাকে কেন্দ্র করে শনিবার নির্বাচন কমিশনে অন্য দিনের তুলনায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এদিন, প্রথমবারের মতো পুলিশের পাশাপাশি র‌্যাবও দায়িত্বপালন করে।

বাংলাটিভি/মাসুদসুমন

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close