জাতীয় নির্বাচননির্বাচনবাংলাদেশরাজনীতি

প্রচারনা শেষ, ভোটের অপক্ষোয় দেশ

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের সব ধরনরে প্রচার, প্রচারণা ও সভা সমাবশে করার সময়সীমা শষে হয়ছে শুক্রবার সকাল ৮টায়। নির্বাচনের প্রতীক বরাদ্দরে পর থেকে প্রার্থীরা ১৮ দিন সময় পেয়েছিলেন।

রবিবার  সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর‌যন্ত বিরতিহীন ভাবে ভোট গ্রহণ চলবে।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ (আরপিও) অনুযায়ী ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত সব ধরনের প্রচার প্রচারণা ও সভা সমাবেশ নিষিদ্ধ।

নির্বাচনের ভোটগ্রহণের এখন শুরু হয়েছে ক্ষণগণনা। রোববার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোট গ্রহণ চলবে।

নিয়ম অনুযায়ী, নির্বাচনের দিন এবং তার আগের দুই দিন ও পরের দুই দিন (মোট পাঁচ দিন) সব ধরনের মিছিল, সমাবেশ ও শোভাযাত্রা নিষিদ্ধ। কোনো ব্যক্তি এই নির্দেশনা লঙ্ঘন করলে তিনি কমপক্ষে দুই বছর এবং অনধিক সাত বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

অর্থাৎ শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টা অর্থাৎ ১ জানুয়ারি মঙ্গলবার বিকেল ৪টা পর্যন্ত সময়ের মধ্যে নির্বাচনি এলাকায় কোনো ব্যক্তি জনসভা আহ্বান, অনুষ্ঠান বা তাতে যোগদান করতে এবং কোনো ব্যক্তি কোনো মিছিল বা শোভাযাত্রা সংগঠিত করতে বা তাতে যোগদান করতে পারবেন না।

এবার সারাদেশে ৩০০ আসনের পরিবর্তে ২৯৯টি আসনে ভোটগ্রহণ চলবে। শুধুমাত্র গাইবান্ধা-৩ আসনে ভোটগ্রহণ হবে না। কারণে ওই আসনের ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে ভোটগ্রহণ পিছিয়ে ২৭ জানুয়ারি নির্ধারণ করা হয়েছে। গাইবান্ধা–৩ আসন বাদে সারাদেশে মোট প্রার্থীর সংখ্যা ১ হাজার ৮৩১ জন। এরমধ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থী আছেন ১ হাজার ৭৪৫ জন। স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন ৯৬ জন।

বাংলাটিভি/পাইক

 

 

 

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close