অন্যান্যআইন-বিচারদেশবাংলাবাংলাদেশরাজনীতি

নুর-লিটনের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় মামলা

ডাকসু নির্বাচনে রোকেয়া হলের প্রভোস্ট ড. জিনাত হুদাকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতা নুরুল হক নুর ও ছাত্র ইউনিয়ন নেতা লিটন নন্দীসহ পাঁচ জনের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়াও অজ্ঞাত পরিচয়ের ৩০ থেকে ৪০ জনকে মামলায় আসামি করা হয়েছে। নুরুল হক নুর ও লিটন নন্দী দুজনেই ডাকসু নির্বাচনে নিজ নিজ প্যানেল থেকে সহসভাপতি (ভিপি) প্রার্থী ছিলেন।

সোমবার (১১ মার্চ) রাতে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসান বলেন, ঢাবির এক শিক্ষার্থী একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। সেটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে।

জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ঢাবির নৃত্যকলা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগ নেতা মারজুকা রায়না বাদী হয়ে মামলাটি করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে ভোট চলাকালে রোকেয়া হল প্রভোস্ট ড. জিনাত হুদাকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে ওই মামলা করা হয়েছে বলে জানান ওসি।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন, জিএস প্রার্থী ঢাবির জহুরুল হক হল ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক খন্দকার আনিসুর রহমান, জিএস প্রার্থী ছাত্র ফেডারেশনের ঢাবি শাখার সভাপতি উম্মে হাবীবা বেনজীর ও রোকেয়া হল সংসদে স্বতন্ত্র ভিপি প্রার্থী শেখ মৌসুমী।

এজাহারে বলা হয়, সোমবার সকাল ১১টা ২০ মিনিটের দিকে মারজুকা রায়না রোকেয়া হলে ভোটের লাইনে দাঁড়ান। এর মধ্যে হেরে যাওয়ার ভয়ে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ বানচাল করার চেষ্টা চালান অভিযুক্তরা। তারা গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে গুজব ছড়িয়ে দেন যে, ট্রাংক ভর্তি সিল মারা ব্যালট পেপার হলের ভেতরে রয়েছে। পাশাপাশি তারা শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে উসকে দেন। শুধু তাই নয়, অভিযুক্তরা প্রভোস্টের কথা না শুনে তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন এবং শিক্ষার্থীদের গালাগাল করেন। এসময় তারা রোকেয়া হল সংসদের দরজা-জানালা লাথি মেরে ভেঙে ফেলার চেষ্টা চালান। পরে তারা সংসদের ভেতর অনধিকার প্রবেশ করে একটি ট্রাংক বের করে আনেন। সেটি খুলে দেখা যায় সব ব্যালট পেপারই সাদা। কোনোটিতে সিল মারা নেই।

বাংলাটিভি/রাজ

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close