অন্যান্যবাংলাদেশ

জাতির জনকের ৯৯তম জন্মবার্ষিকী আজ

স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্মবার্ষিকী আজ ।১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্ম নেন এই অবিসংবাদিত নেতা। দ্বন্দ্ব-সংঘাত আর মুক্তির ইতিহাসের দীর্ঘ যাত্রায় যিনি মুজিব থেকে হয়ে ওঠেন বঙ্গবন্ধু। বিশেষজ্ঞরা বলছেন,বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়ন করতে পারলেই আলোর পথে এগোবে বাংলাদেশ।

ছাত্র জীবন থেকেই শোষিত বঞ্চিত বাঙলার গণমানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন শেখ মুজিব।ধীরে ধীরে ছাত্রনেতা থেকে তিনি পরিণত হন প্রাদেশিক নেতায়।
৫২’ ভাষা আন্দোলন, ৬৬’র ছয় দফা, ৬৯ এর গণঅভ্যূত্থান, ৭০ এর নির্বাচন এবং ৭১ এর অসহযোগ আন্দোলনসহ বিভিন্ন আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে মুজিব পরিণত হন জাতীয় নেতায়।
বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে ৪ হাজার ৬৭৫ দিনই কারারুদ্ধ ছিলেন তিনি। ঊণসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে কারামুক্ত হওয়ার পর ২৩ ফেব্রুয়ারি তাঁকে দেয়া হয়বঙ্গবন্ধু উপাধি।
একাত্তরের ৭ মার্চ বাঙালিকে স্বাধীনতার ডাক দেয়া তার সেই ভাষণটি এখন বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভাষণ হিসেবে স্বীকৃত।বাঙালি জাতির ইতিহাসে উজ্জ্বল কালান্তরের সূচনা করেছিলেন তিনি। দুর্বার গণআন্দোলন গড়ে উঠেছিল তার হাত ধরেই। যা পরবর্তী সময়ে রূপ নেয় মুক্তির আন্দোলনে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাঙালির হাজার বছরের স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা পূর্ণতা পেয়েছিল শেখ মুজিবুর রহমানের হাত ধরেই।

মুক্তির আন্দোলনের কোন সীমা থাকেনা। বিমূর্ততার অন্তরাল ভেদ করে প্রাণবান মুজিব তাই করাঙ্গুল প্রসারিত করেন আজও যখন জাতি থাকে সংকটে, সংশয়ে।

বঙ্গবন্ধুর জন্মের একশ বছর পূর্তিতে ২০২০ সালের মার্চ থেকে ২১ সালের মার্চ পর্যন্ত মুজিববর্ষ পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ উপলক্ষে করা হয়েছে জাতীয় উদযাপন কমিটি ও জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি গঠন।
বাংলাটিভি/হাকিম

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close