বাংলাদেশ

  প্রশ্নফাঁস ছাড়াই শেষ হবে এইচএসসি পরীক্ষা                                            

                                                                                                                                                               উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কড়া নজরদারি রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। সবার সহযোগিতায় প্রশ্ন ফাঁসের কোনও ঘটনা ছাড়াই আমরা পরীক্ষাগুলো সম্পন্ন করতে পারব। এ বিষয়ে শিক্ষক, পরীক্ষার্থী, অভিভাবক এবং গণমাধ্যমসহ সবার সহযোগিতা চাই।

আজ সোমবার সকালে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু উপলক্ষে রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে কেন্দ্র পরিদর্শনে এসে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এ সময় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ছাপাখানায় প্রশ্ন ছাপা হয়, তারপর এটা আর কেউ দেখেন না। বোর্ডের কেউ দেখেন না, মন্ত্রণালয়ের কেউ দেখেন না, এই বিষয়গুলো জনগণের কিন্তু আসলে সেভাবে জানা নেই।

পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সবার সহযোগিতা কামনা করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, যত বিশাল কর্মযজ্ঞই হোক সবার যদি সহযোগিতা থাকে তাহলে সেই কঠিন কাজও সহজ হয়ে যায়।

আজ সকাল ১০টা থেকে ১০টি শিক্ষা বোর্ডে একযোগে ২০১৯ সালের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছে।এ সময় শিক্ষামন্ত্রী আরো বলেন প্রধানমন্ত্রী তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পরীক্ষা বাদ দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন। এটি প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয় বাস্তবায়ন করবে। আমরা শিক্ষানীতি অবশ্যই বাস্তবায়ন করব। তবে একবারেই তো করা সম্ভব হবে না পর্যায়ক্রমে করা হবে।

এসএসসি পরীক্ষার সময় প্রশ্নপত্র ছাপা নিয়ে যে সমস্যা হয়েছিল সে প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘একটি জায়গায় ছাপা কিছু অস্পষ্ট ছিল, একটি প্রশ্নপত্রে দুই পৃষ্ঠায় দুই রকম প্রশ্ন ছাপা হয়েছিল, সেই পরীক্ষা বাতিল করে আবার নেওয়া হয়েছে। আমরা আশা করছি এবার কোনও সমস্যা হবে না।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ছড়ানোর বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, গোয়েন্দা সংস্থা নজরদারি করছে। কেউ যদি কোনও অপকর্মের সঙ্গে জড়িত থাকে, প্রতারণা করে, গুজব ছড়ায় তাহলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে অভিভাবকদের কোনও রকম গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। কারও ফাঁদে পা দেবেন না, কারণ আমরা বিশ্বাস করি প্রশ্নপত্র ফাঁস হবে না। প্রশ্নপত্র ফাঁসমুক্তভাবেই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।’

কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ১ এপ্রিল থেকে ৬ মে পর্যন্ত সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে। আমি আশা করছি প্রতিটি জেলা, উপজেলার প্রশাসন বিষয়টি মনিটরিং করবে। কোচিংগুলো সত্যিই বন্ধ থাকছে কিনা বিষয়টি তারা নিশ্চিত করবে।

এসএসসি পরীক্ষার বিভিন্ন সমস্যার বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন এসেছে। আমরা সেগুলো দেখে সুপারিশ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব।

ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন সম্পর্কে শিক্ষামন্ত্রী বলেন,এর জন্য নির্দিষ্ট পদ্ধতি রয়েছে সেই পদ্ধতি অনুযায়ী মূল্যায়ন হবে।

বাংলাটিভি/শহীদ

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button