অন্যান্যপ্রধানমন্ত্রীবাংলাদেশ

উন্নয়নের গতি ধরে রাখার প্রত্যয় প্রধানমন্ত্রীর

সরকারি-বেসরকারি সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দেশের এগিয়ে যাওয়ার গতি ধরে রাখতে হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ভিডিও কনফারেন্সে ১১টি অর্থনৈতিক অঞ্চল ও বিজিএমইএ ভবনসহ বিভিন্ন শিল্পকারখানার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে,এমন আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

বুধবার গণভবন থেকে ‘সিটি ইকোনোমিক জোন’সহ ১১টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের উদ্বোধন করেন শেখ হাসিনা। একই সঙ্গে ১৩টি নতুন অর্থনৈতিক অঞ্চল ও ২০টি শিল্প কারখানার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তিনি।

শেখ হাসিনা জানান, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর বিদ্যুৎ,জ্বালানি, যোগাযোগ ও খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ। এই ধারা বজায় রাখতে,দেশে ১শ টি অর্থনৈতিক অঞ্চল তৈরীর কথা জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি জানান,‘দেশের অর্থনীতি চাঙ্গা রাখতে বেসরকারি খাতকে সবচেয়ে বেশি সুবিধা দেয়া হচ্ছে। যার ফলে,এই অর্থ বছরে বার্ষিক প্রবৃদ্ধি ৮ দশমিক এক তিন শতাংশে উন্নীত হবে। মাথাপিছু আয় হবে ১ হাজার ৯০৯ ডলারে।’

স্থিতিশীল উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে,বঙ্গবন্ধুর বিভিন্ন অবদান ও পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন,’রপ্তানির পাশাপাশি দেশীয় বাজার সৃষ্টিতেও বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। সমগ্র বাংলাদেশকে মিলিয়ে অর্থনৈতিক লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণও করেছে সরকার।’

কোন রকম দুর্যোগ পরবর্তী সময়ে যেন কারো কাছে হাত পাততে না হয় সে অনুযায়ী দেশকে গড়ে তোলার আহ্বান জানান  শেখ হাসিনা।

সরকার প্রধান বলেন,অর্থনীতির চাকাকে সচল রাখার তাগিদে দেশি-বিদেশি সব ধরনের বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে দেশজুড়ে ১শ’টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের অনুমোদন দিয়েছে সরকার।

দেশের উন্নয়নের জন্য সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি বিনিয়োগের ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন,’সকলের জন্য বিনিয়োগের পরিবেশ তৈরির ওপর বর্তমান সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।

আওয়ামী লীগ সরকার টানা এক দশক ক্ষমতায় থাকার কারণে,অর্থনৈতিক অগ্রগতির লক্ষ্য অর্জনের দিকে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়েছে বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। শেখ হাসিনা বলেন,২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে সরকার।

বাংলাটিভি/ফাতেমা

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button