অন্যান্যবাংলাদেশবিনোদন

অশুভ শক্তির বিনাশে  মঙ্গল শোভাযাত্রা

‘মস্তক তুলিতে দাও অনন্ত আকাশে’ প্রতিপাদ্য নিয়ে অশুভর বিনাশ এবং শুভ শক্তির আগমন কামনায় অনুষ্ঠিত হলো এ বছরের মঙ্গল শোভাযাত্রা। অংশ নেন হাজারো মানুষ। মাথা উঁচু করে বাঁচার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন আয়োজকরা।

রবিবার সকাল ৯ টায় শোভাযাত্রাটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের সামনে থেকে শুরু হয়। মেট্রোরেল প্রকল্পের কাজ চলতে থাকায় এ বছর বদলে গেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের মঙ্গল শোভাযাত্রার পথ।

লোকজ বাদ্য আর গানের তালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের সামনে থেকে ঐতিহ্যবাহী মঙ্গল শোভাযাত্রায় অংশ নেন হাজারো মানুষ। সবার কণ্ঠে ছিল অনাচারমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়।

শোভাযাত্রায় আবহমান বাংলার ইতিহাস-ঐতিহ্যের সঙ্গে সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহের প্রতীকী উপস্থাপনের নানা বিষয় স্থান পেয়েছে।

মহিষ, পাখি ও ছানা, হাতি, মাছ ও বক, জাল ও জেলে, টেপাপুতুল, মা ও শিশু এবং গরুর শিল্পকাঠামো দিয়ে কোথাও কমতি ছিল না সৌন্দর্য বর্ধণে।

চারুকলা অনুষদ এ বছর মঙ্গল শোভাযাত্রার প্রতিপাদ্য করেছে ‘মস্তক তুলিতে দাও অনন্ত আকাশে’। ঢাক-ঢোলের বাদ্যি আর তালে তালে তরুণ-তরুণীদের নৃত্য, হৈ-হুল্লোড় আর আনন্দ-উল্লাসে মাতাম পুরো শোভাযাত্রা।

পুরো এলাকা লোকে লোকারণ্য হয়ে ওঠে। তিল ধারণের যেন ঠাঁই নেই।

বাংলা বর্ষবরণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে ১৯৮৯ সাল থেকে মঙ্গল শোভাযাত্রা শুরু হয়েছিল। শুরু থেকেই চারুকলার শোভাযাত্রাটির নাম মঙ্গল শোভাযাত্রা ছিল না। তখন এর নাম ছিল বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা। ১৯৯৬ সালে এর নাম হয় মঙ্গল শোভাযাত্রা। ২০১৬ সালের নভেম্বর মাসে জাতিসংঘের সংস্থা ইউনেস্কোর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে হওয়া এ শোভাযাত্রা।

বাংলাটিভি/ফাতেমা/হাকিম

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close