অন্যান্যদেশবাংলাবাংলাদেশ

আজও বিজিএমইএ থেকে মালামাল সরছে

একদিনের বিরতি দিয়ে আবার হাতিরঝিলের বিজিএমইএ ভবন থেকে মালামাল সরিয়ে নিতে শুরু করেছেন ভবনে থাকা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা। এ কারণে মঙ্গলবার   সিলগালা করে দেওয়া হলেও আজ  ভবনটি খুলে দিয়েছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ।

বিজিএমইএ ১৬ তলা ভবনে থাকা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মালিকপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে  সকাল ৯টায় ভবনে লাগানো তালা খুলে দেওয়া হয়। রাজউক জানিয়েছে, বিকেল ৫টা পর্যন্ত মালামাল সরিয়ে নেওয়ার সুযোগ থাকবে।

হাতিরঝিল প্রকল্পের পরিচালক ও রাজউকের প্রধান প্রকৌশলী রায়হানুল ফেরদৌস বলেন, মঙ্গলবার মালপত্র সরানোর পরও কিছু প্রতিষ্ঠানের মালপত্র থেকে গিয়েছিল বিজিএমইএ ভবনে।

বিজিএমইএ ভবনে মালামাল গুলো সরিয়ে নেওয়ার সুযোগ দিতেই সকাল ৯ টায় বিজিএমইএ ভবনের তালা খুলে দেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলো বিকেল ৫টা পর্যন্ত মালামাল সরিয়ে নিতে পারবে।

এদিকে রাজউকের পরিচালক (প্রশাসন) খন্দকার অলিউর রহমান বলেন, ভবনের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মালিকদের লিখিত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তালা খুলে দেওয়া হয়েছে। ভবনটি ভাঙার আগ পর্যন্ত যদি কোন মালামাল থাকে এবং কেউ যদি লিখিত আবেদন করে, তাহলে তা সরিয়ে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে।

 দীর্ঘ কয়েক বছরের আইনি জটিলতা কাটিয়ে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী বিজিএমইএ ভবন ১২ এপ্রিলের মধ্যে ভেঙে ফেলার বাধ্যবাধকতা ছিল। কিন্তু বাংলা নববর্ষ ও সাপ্তাহিক ছুটি শেষে ভবনটি ভাঙার আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হয়।

রাজউক জানায়, ডিনামাইট ব্যবহার করে ভেঙে ফেলা হবে বিজিএমইএ ভবনটি, যার নজির বাংলাদেশে আর নেই।  এর জন্য কোন প্রতিষ্ঠানকে আগে থেকে নির্বাচিত করেনি রাজউক।

রাজউক  এ বিষয়ে একটি দরপত্র আহ্বান করে সংস্থাটি। ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত দরপত্র জমা দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। ২৫ এপ্রিল বাছাই করা হবে, কোন প্রতিষ্ঠানকে ভবন ভাঙার কাজটি দেওয়া হবে। তবে দরপত্রে বিজিএমইএ ভবন ভাঙার জন্য উপযুক্ত কোন প্রতিষ্ঠান না পাওয়া গেলে রাজউক বিদেশি পরামর্শক ভাড়া করে ভবনটি নিজেই ভাঙতে পারে বলে আভাস পাওয়া যায়।

বাংলাটিভি/ফাতেমা/হাকিম

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close