বাংলাদেশবিএনপি

বিএনপির নেতাকর্মীরা অভিভাবক শূন্যতায়

 

দলে কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা, কমিটি বিলুপ্ত ও বহিষ্কারসহ নানান কারণে স্থবিরতার পাশাপাশি অভিভাবক শূন্য হয়ে পড়েছে বগুড়া জেলা বিএনপি।

 জেলা কমিটি ভেঙে আহ্বায়ক কমিটি করায় দলীয় বিরোধ আরও চরম আকার ধারণ করেছে। বারবার সিদ্ধান্ত পাল্টানো ও সমন্বয়হীনতার কারণে দলের নেতাকর্মীরা দিক হারাচ্ছেন বলে দাবি নেতাদের।

২০১২ সালে ৩ বছরের জন্য বগুড়া জেলা বিএনপির কমিটি ঘোষণা করা হয়। ছয় বছরের বেশি সময় পর তা বিলুপ্ত করে আহ্বায়ক কমিটি গঠনের পরই দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে স্থানীয় বিএনপি। দলের নেতাদের অভিযোগ সমন্বয়হীনতার কারণেই দলের নেতাকর্মীরা বিভ্রান্ত হচ্ছেন বলেও দাবি দলের নেতাদের।

বগুড়া সদর উপজেলা বিএনপির বহিস্কৃত সভাপতি মাফতুন আহমেদ খান রুবেল জানান, ‘আমরা দিন দিন একটা গণতান্ত্রিক পদ্ধতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। এ সময়, যারা দলকে নিজস্ব বাহিনীতে পরিণত করতে চায় তারা গণতান্ত্রিক পদ্ধতির কারণেই দল থেকে ছিটকে পড়বে।

এদিকে, বগুড়া জেলা বিএনপির সদ্য বিলুপ্ত কমিটির সহ-সভাপতি আলী আজগর তালুকদার হেনা বলেন, ‘যারা দলকে জিম্মি করার চেষ্টা করছেন, বিশৃঙ্খলা করার চেষ্টা করছেন তাদের বিএনপির সাধারণ নেতাকর্মীরাই প্রতিহত করবেন।’ এমনকি, সময়মতো তাদের উপযুক্ত জবাব দেয়া হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

জেলা বিএনপির কার্যক্রম, ঝিমিয়ে পড়ায় নতুন কমিটি দেয়ার দাবি জানান সিনিয়র নেতারা।

এ বিষয়ে বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও বগুড়া-৭ আসনের সাংসদ হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু বলেন, গেল আট বছর যারা দলকে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন তাদের ওপর দলের সাধারণ নেতাকর্মীদেরই কোনো আস্থা নেই। এই মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন কমিটি হবে এটাই সঠিক। আমরা সেই ফর্মূলাতেই আছি, সেই ফর্মূলাতেই আগাচ্ছি।’

স্থানীয়দের দাবি কেন্দ্রের নির্দেশেই মডেল কমিটি হিসেবে আবারো আত্মপ্রকাশ করবে বগুড়ার বিএনপি। বগুড়া জেলা বিএনপির সদ্য বিলুপ্ত কমিটির সভাপতি সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘কোনো বাড়ির মধ্যে বসে বিএনপি পরিচালিত করলে হবে না। দলীয় কার্যালয় থেকেই বিএনপি পরিচালিত হবে।’

বাংলাটিভি/শহীদ

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close