
অনলাইনে-অ্যাপে টিকিট বিক্রি নিয়ে সৃষ্ট জটিলতার সব দায়ভার স্বীকার করেছেন রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন। তিনি এ ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন। বুধবার সকালে ঈদ উপলক্ষে আগাম ট্রেন টিকিট বিক্রির পরিস্থিতি দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের এমনটা জানান তিনি।
২০১২ সাল থেকে ‘ই-টিকেট’ সেবা চালু করে বাংলাদেশ রেলওয়ে। প্রথমবারের মতো ঘরে বসেই টিকিট কেনার সুযোগ পান যাত্রীরা। শুরু থেকেই সেবাটি ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে আছে সিএনএস। এরপর প্রতি ঈদেই অনলাইনে টিকিট কিনতে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা।
রেলওয়ের অপারেশন শাখার হিসাব বলছে,ঈদের আগের পাঁচদিনে -৩১মে থেকে ৪জুন সব মিলিয়ে প্রায় সোয়া ৪লাখ টিকিট বিক্রি হবে। এর অর্ধেক বিক্রি হবে কাউন্টার থেকে। বাকি অর্ধেক টিকিট বিক্রি হবে অনলাইন,এএমএস ও মোবাইল অ্যাপে।
আজ সকালে থেকে শুরু হয়েছে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি। আজ বিক্রি হবে ৩১ মের অগ্রিম টিকিট। পশ্চিমাঞ্চলগামী ট্রেনের জন্য কমলাপুর,চট্টগ্রাম ও নোয়াখালীগামী ট্রেনের জন্য বিমানবন্দর,ময়মনসিংহ ও জামালপুরগামী ট্রেনের জন্য তেজগাঁও,নেত্রকোনা ও মোহনগঞ্জগামী ট্রেনের জন্য বনানী এবং সিলেট ও কিশোরগঞ্জগামী ট্রেনের জন্য ফুলবাড়িয়া স্টেশন -পুরনো রেল ভবন থেকে দেয়া হবে অগ্রিম টিকিট।
বাংলাটিভি/ফাতেমা



