
নুসরাত জাহান রাফি হত্যায় মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজউদ্দৌলা,আওয়ামী লীগ নেতা রুহুল আমিনসহ ১৬ জনের সম্পৃক্ততা পেয়েছে পিবিআই।এছাড়া ১২ জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।আগামীকাল বুধবার এ মামলার চার্জশিট জমা দেওয়া হবে।
সকালে রাজধানীর ধানমণ্ডি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন পিবিআই প্রধান বনজ কুমার মজুমদার।
বনজ কুমার মজুমদার বলেন, ‘এ হত্যায় পাঁচটি বোরখা ব্যহার করা হয়েছিল যার মধ্যে থেকে একটি উদ্ধার করা হয়েছে। মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজউদ্দৌলা তার দেয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জানিয়েছে,যৌন হয়রানির মামলা তুলে নেবার জন্য প্রথমে নুসরাতকে ভয়ভীতি দেখাতে হবে।পরে,যদি এতেও কাজ না হয় তবে তাকে হত্যা করার নির্দেশ দেন সিরাজউদ্দৌলা। এমনকি, কিভাবে এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হবে জেলে বসে সেই পরিকল্পনাও করে দেন তিনি।’
তিনি বলেন, ‘গত ৬এপ্রিল সকাল ৯টার দিকে পরীক্ষা দিতে সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসাকেন্দ্রে যান নুসরাত। এরপর কৌশলে তাকে ৪-৫ জন বোরকা পরিহিত ব্যক্তি ছাদে ডেকে নিয়ে তার শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে তার শরীরের ৮৫ শতাংশ পুড়ে যায়। পরে, ফেনী সদর হাসপাতালে থেকে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়। এরপর, চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০এপ্রিল রাতে মারা যান নুসরাত জাহান রাফি।’
বাংলাটিভি/ফাতেমা



