
পর্যাপ্ত শেড-গুদাম না থাকায় আমদানিকৃত পণ্য খোলা আকাশের নিচে রাখা হচ্ছে দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোলে। খোলা জায়গায় রাখায় রোদ-বৃষ্টিতে ভিজে পণ্যের গুণগত মান নষ্ট হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন আমদানিকারকরা। এ সমস্যার সমাধান চান আমদানিকারকসহ সংশ্লিষ্টরা।
প্রতিদিন ভারত থেকে ৪৫০ থেকে প্রায় ৫শ পণ্যবাহী ট্রাক প্রবেশ করে বেনাপোল বন্দরে। বছরে রাজস্ব আয় সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা। বন্দরে ৪২টি শেড থাকলেও সংস্কারের কারণে ভেঙে ফেলা হয়েছে ১০টি শেড। এছাড়া বন্দরে মাত্র ৪টি ওপেন ইয়ার্ড ও ১টি ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ড রয়েছে। আমদানি-রফতানি বাড়লেও অবকাঠামো না বাড়ায় খোলাস্থানে রাখায় নষ্ট হয়ে যায় আমদানি করা পণ্য।
২টি এক্সপোর্ট শেড ও ১টি ছাউনিযুক্ত ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ড নির্মাণের এবং সিসি ক্যামেরার স্থাপনের দাবি বন্দর ব্যবহারকারীদের। এসব সমস্যা সমাধানে প্রকল্প নেয়া হয়েছে বলে জানালেন বন্দরের পরিচালক।
ভারতের পেট্রাপোল বন্দরের যথেষ্ট আধুনিকায়ন হয়েছে, এর সাথে তাল মিলিয়ে চলতে বেনাপোল বন্দরের উন্নয়ন করা হবে এমনটাই আশা সংশ্লিষ্টদের।
বাংলাটিভি/প্রিন্স



