জনদুর্ভোগবাংলাদেশ

পাট নিয়ে বিপাকে চাষীরা

ডেস্ক রিপোর্ট : এ বছরসারাদেশে পাটের ফলন ভালো হলেও খাল-বিলে পানি না থাকায় ঠিকভাবে পঁচাতে পারছেন না কৃষকরা। এক পানিতে বারবার পাট পঁচানোর ফলে আশঁ ভালো না হয়ে কালো রঙ ধারন করছে। আর বিভিন্ন এলাকায় নলকূপের পানি ব্যবহার করে পাঠ জাগ দেয়ার কারণে খরচ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে, দাম নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন তারা। আবার খরচের তুলনায় বাজার দর কম হওয়ায় লোকশান গুনতে হচ্ছে চাষীদের।

স্থানীয় পাট চাষীরা জানান, গোপালগঞ্জে পাটের ফলন ভালো হলেও শেষ সময়ে দেখা দিয়েছে অনাবৃষ্টি। ফলে পাট গাছ বড় হলেও পানির অভাবে গাছ পুড়ে যাওয়ায় অপরিপক্ক পাট কেটে ফেলতে হচ্ছে। সেই সাথে পানির অভাবে খাল-বিল, ডোবা, নালায় পানি না থাকায় আমরা ভালোভাবে পাট পঁচাতে পারছি না। মনে হচ্ছে এবারও খরচের তুলনায় বাজার দর কম হওয়ায় লোকশান গুনতে হবে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক রমেশ চন্দ্র ব্রহ্ম জানান, অনাবৃষ্টির ফলে পাট ঠিকভাবে পঁচাতে না পারায় পাটের রং কালচে হয়ে যাচ্ছে  ফলে কৃষকরা চাহিদামত দাম পাচ্ছেন না।

পাটের জাগ দেয়ার বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রীতম কুমার হোড় জানান, ভরা বর্ষায়ও ফরিদপুরের বোয়ালমারী, আলফাডাঙ্গার বিভিন্ন মাঠ-ঘাট, নদ-নদী, খাল-বিলে পর্যাপ্ত পানি না থাকায়, পাট চাষিরা উৎপাদিত পাট জাগ দিতে পারছেন না। অঞ্চলভেদে গভীর নলকূপ দিয়ে ডোবা-নালায় পানি জমিয়ে জাগ দিচ্ছে পাট। এতে খরচ বৃদ্ধি ও পাটের রং নিয়ে শঙ্কায় আছেন পাট চাষীরা।

অন্যদিকে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোর মধ্যে অন্যতম পাট উৎপাদিত এলাকা ঝিনাইদহ। তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারনে চলতি মৌসুমে জেলায় আবাদকৃত পাটে ফলন ভালো হয়নি। আর জেলার খাল-বিল, পুকুর বা জলাশয়ে পানি না থাকায় ক্ষেতের পাট কেটে জাগ দিতে পারছেন না চাষীরা।

এক বিঘা জমিতে যেখানে পাট উৎপাদন হয় ১২ থেকে ১৫ মণ, এবার সেখানে উৎপাদন হয়েছে মাত্র ৭ থেকে ৮ মণ।

বাংলাটিভি/ নূর

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close