ড্রাগন চাষে ঝুঁকছে টাঙ্গাইলের চাষিরা

রুবেল মিয়া, টাঙ্গাইল : টাঙ্গাইলের পাহাড়িয়া এলাকায় দিন দিন বাড়ছে ড্রাগন ফলের আবাদ। এসব এলাকার পরিত্যক্ত জমি লিজ নিয়ে অসংখ্য বেকার যুবক সেখানে গড়ে তুলছেন এ ফলের বাগান। আর বাজারজাত করণেরও নেই কোনো সমস্যা। এই ফল উৎপাদনে খরচের থেকে কয়েকগুণ লাভ থাকছে বলেও জানিয়েছেন চাষিরা।
বিদেশী ফল ড্রাগনের আবাদ সম্পর্কে কোনো ধারণা ছিল না টাঙ্গাইল এলাকার কৃষকদের। তবে সম্প্রতি জেলার ঘাটাইল ও সখীপুররের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে চাষ হচ্ছে ড্রাগন ফলের। ঘাটাইল উপজেলার বাসাবাইদ গ্রামে সমন্বিত কৃষি উদ্যোক্তারা প্রায় সাড়ে ৪শ’ একর জমিতে গড়ে তুলেছেন বিশাল ড্রাগন ফলের বাগান। লাভজনক হওয়ায় বহু কৃষক ড্রাগন আবাদের দিকে ঝুঁকে পড়ছেন।
স্থানীয় চাষিরা জানায়, ড্রাগনের একেকটি খুটিতে গাছ ও পরিচর্যাসহ চাষিদের খরচ হয় ৯শ টাকা। প্রতি বছর ফল আসে ২০ কেজির উপরে। আর প্রতি কেজি ড্রাগন বিক্রি হয় ৩শ থেকে ৫শ টাকা কেজি দরে। এতে প্রথম বছরই উঠে আসে উৎপাদন খরচ, লাভও থাকে কিছুটা। এখন সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে ড্রাগন আবাদ এলাকার কৃষকের অর্থকারি ফল হয়ে ওঠতে পারে বলেও মনে করছেন এসব চাষিরা।
একেকটি গাছ প্রায় ১৫ বছর একটানা ফল দেয়, ফলে বেশ লাভজনক। ড্রাগন চাষে চাষিদের আগ্রহও বেশ। ফলে ড্রাগন ফল চাষে কৃষকদেরকে প্রযুক্তিগতসহ সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে বলে জানান, টাঙ্গাইল জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আব্দুর রাজ্জাক।
বাংলাটিভি/ নূর



