হাতিয়ায় মেঘনা নদীর ভাঙ্গনে হুমকির মুখে চতলা খাল

নোয়াখালীর বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায়, মেঘনা নদীর অব্যাহত ভাঙ্গনে হুমকির মুখে চতলা খাল এলাকার সুইচ গেট। ক্রমাগত নদী ভাঙ্গনে বেড়ি বাঁধ ধ্বসে, ভাঙ্গন এখন স্লুইচ গেটের কাছাকাছি চলে এসেছে। যে কোন সময় এটি ভেঙ্গে বড় ধরনের বিপর্যয়ের আশঙ্কা নদী তীরবর্তী বাসিন্দাদের। দ্রুত ভাঙ্গনরোধ করে স্লুইচ গেইটটি রক্ষার দাবী স্থানীয়দের।
নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার হরনি, চানন্দি ও বয়ারচর এলাকার ৬০ হাজার মানুষের জীবন ও সম্পদ রক্ষায়, পানি উন্নয়ন বোর্ড ২০০৫ সালে বেড়িবাঁধ নির্মাণের পাশাপাশি, চাতলা খালের মুখে একটি স্লুইচ গেইট নির্মাণ করে।
বিগত ১ বছরে মেঘনা নদীর তীব্র ভাঙ্গনে বেড়ি বাঁধের অনেকাংশ ধ্বসে,সুইস গেটের কাছাকাছি চলে আসায়, হুমকির মুখে রয়েছে এলাকাবাসী।
এটি ধ্বসে পড়লে ক্ষতিগ্রস্ত হবে স্লুইচ গেটের ভেতরে থাকা ১টি ভূমি অফিস, ২২টি সাইক্লোন সেল্টার, ২টি হাই স্কুল, ২৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১টি দাখিল ও ১টি ইবতেদায়ী মাদ্রাসাসহ প্রায় অর্ধশত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
দ্রুত নদী ভাঙ্গন রোধ করে স্লুইচ গেইটটি রক্ষা করা না গেলে যে কোনো সময় ধ্বসে পড়ে দেখা দেবে বড় ধরনের বিপর্যয়।
স্লুইচ গেট রক্ষা করা না গেলে এর অভ্যন্তরে সিডিএসপি নির্মিত কোটি কোটি টাকার সম্পদের ক্ষতি হবে বলে মনে করছেন, স্থানীয় সচেতন মহল। এদিকে, নদী ভাঙ্গনরোধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানান,জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন।
এছাড়া ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানিয়েছেন নোয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আয়েশা আলী।
মানুষের জীবন ও সম্পদ রক্ষায় চতলা খাল এলাকার স্লুইট গেটটি যেন নদী গর্ভে বিলীন হয়ে না যায় সে ব্যবস্থা নেবে সরকার, এমন দাবী নদী তিরবর্তী অসহায় ভূমিহীনদের।
ইয়াকুব নবী ইমন, নোয়াখালী প্রতিনিধি



