
ন্যায় বিচার প্রাপ্তি সহজ করতে দেশব্যাপি পরিচালিত গ্রাম আদালতের সুফল পাচ্ছেন টাঙ্গাইলের গ্রামাঞ্চলের মানুষ। বিচার কার্য পরিচালনায় আইনজীবীর প্রয়োজন না হওয়ায়, বিনা খরচেই মিলছে প্রতিকার। আর দ্রুত বিচার নিষ্পত্তি ও অল্প সময়ে বিচার শেষ হওয়ায় খুশি বাদি-বিবাদি দু’পক্ষই। এতে, বিচারিক আদালতের ওপর চাপও কমছে।
টাঙ্গাইলের ১শ ১৮ টি ইউনিয়নের সবকটিতেই চালু রয়েছে গ্রাম আদালত। এর ফলে জেলার গ্রামের মানুষরা তাদের ছোট ছোট যে কোন বিরোধ নিষ্পত্তি করতে দারস্থ হচ্ছেন গ্রাম আদালতের।
আর বিচার প্রার্থীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে দু’পক্ষের পছন্দের মেম্বারদের নিয়ে গঠন করা হয় বিচারক প্যানেল। সাথে সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যান সভাপতি হিসেবে থাকেন।
তারা অভিযোগর ওপর আলোচনা করে বিরোধ নিষ্পত্তি করে দেন। এ আদালতে কোন খরচের বিষয় নেই। ফলে বিচার চাইতে যাওয়া বাদি ও বিবাদী দু’পক্ষই খুশি।
টাঙ্গাইলের দাইন্যা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও গ্রাম আদালতের সভাপতি মোঃ লাভলু মিয়া লাবু জানালেন, মানুষ খুব সহজেই গ্রাম আদালতে সমাধান পায়। একটা সরল সমাধানের উপায়।
গ্রাম আদালতের কার্যক্রম মনিটরিং করে স্থানীয় সরকার বিভাগ। এ দপ্তরের উপ-পরিচালক জানালেন, জেলার ১২টি উপজেলার ১শ ১৮টি ইউনিয়নেই গ্রাম আদালত রয়েছে। প্রতিমাসেই গ্রাম আদালতের রিপোর্ট তাদের কাছে জমা দেয়।
গ্রাম আদালত কাউকে কারাদন্ড দিতে পারেন না। শুধু আর্থিক জরিমানা বা উভয় পক্ষকে মিমাংসা করে দিতে পারেন বলে জানালেন, টাঙ্গাইল জজ কোর্টের পিপি মোঃ আকবর আলী খান।
গ্রাম আদালতকে যদি আরো বেশী কার্যকর করা যায় তাহলে কোর্ট কাচারিতে যে মামলার জট বাড়ছে তা কমে যাবে বলেও মনে করেন তিনি।
খন্দকার হাবিবুল্লাহ, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি



