
অযোধ্যার বাবরি মসজিদ মামলার চূড়ান্ত রায়ে বিতর্কিত ওই ভূমিতে একটি মন্দির নির্মাণের নির্দেশনা দিয়েছেন। পরিবর্তে অযোধ্যার অন্য কোনও স্থানে মসজিদ নির্মাণের জন্য ৫ একর ভূমি পাবে মুসলিমরা।
শনিবার সকালে মামলার রায় ঘোষণা করেন দেশটির সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের একটি বেঞ্চ।
আদালতের নির্দেশনায় বলা হয়, পৌনে ৩ একরের ওই স্থানে মন্দির হবে, এবং তা হবে একটি ট্রাস্টের অধীনে। আর মসজিদ নির্মাণের জন্য কাছাকাছি অন্য স্থানে ৫ একর জমি দিতে হবে সরকারকে।
এর আগে ২০১০ সালে ২ দশমিক ৭ একর জমি সমানভাগে ভাগ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে এলাহাবাদ হাইকোর্টের তিন বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত প্যানেল।
কিন্তু হিন্দু-মুসলিম দুই পক্ষই সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে আপিল করেছিল। সেই আপিল নিষ্পত্তি করতে গিয়ে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে , সমভাবে ভূমি বণ্টন করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত ভুল ছিল।
এদিকে, রায় ঘোষণার আগ দিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেশের সব রাজ্যে নিরাপত্তা জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছে। উত্তর প্রদেশের অযোধ্যা শহর এখন নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে। গত ২০ অক্টোবর থেকে অযোধ্যা শহরে জারি রয়েছে ১৪৪ ধারা।
১০ নভেম্বর থেকে এই শহরে জারি হচ্ছে কারফিউ। এই সান্ধ্য আইন অযোধ্যা মামলার রায় ঘোষণার পর চার দিন পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। অযোধ্যার নিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যে সেখানে মোতায়েন করা হয়েছে প্রায় চার হাজার আধা সেনা। উত্তর প্রদেশের ধর্মীয় জায়গাগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
এ ছাড়া ভারতজুড়ে ব্যাপক ধরপাকড় করা হয়েছে বলে জানা গেছে। বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, পাঁচশ’র বেশি লোককে গ্রেফতার করা হয়েছে। নজরদারি বাড়ানো হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও।
নূর, বাংলা টিভি



