অন্যান্যরাজনীতি

রাজনীতির খেসারত যখন রাজাকার আখ্যা

‘মানুষের জন্য নিঃস্বার্থ কাজ করার পুরস্কার পেলাম আজ। ধন্যবাদ আওয়ামী লীগকে। সদ্য প্রকাশিত রাজাকারদের গেজেটে আমার বাবা এবং ঠাকুমার নাম প্রকাশিত হয়েছে। আমার বাবা এড. তপন কুমার চক্রবর্তী একজন গেজেটেড মুক্তিযোদ্ধা, ক্রমিক নং ১১২ পৃষ্ঠা ৪১১৩। তিনি নিয়মিত মুক্তিযোদ্ধা ভাতাও পেয়ে থাকেন। আজ রাজাকারের তালিকায় তিনি ৬৫ নাম্বার রাজাকার!’

নিজের ফেইসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ ঘটনাকে নিজের ‘রাজনীতির খেসারত’ আখ্যা দিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ বরিশালের সদস্য সচিব ও মুক্তিযোদ্ধা-কন্যা ডা. মনীষা চক্রবর্ত্তী।

ডা. মনীষা আরও লিখেছেন, ‘আমার ঠাকুরদা এড সুধির কুমার চক্রবর্ত্তীকে পাকিস্তানি মিলিটারি বাহিনী বাসা থেকে ধরে নিয়ে গিয়ে হত্যা করে। তিনিও ভাতাপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃত। তাঁর সহধর্মিণী আমার ঠাকুমা উষা রানী চক্রবর্ত্তীকে রাজাকারের তালিকায় ৪৫ নাম্বারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।’

       

এ নিয়ে লজ্জাজনক পরিস্থিতির মুখে পড়েছেন বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনের মেয়র প্রার্থী বাসদ নেত্রী ডা. মনীষা চক্রবর্ত্তী ও তার বাবা অ্যাডভোকেট তপন কুমার চক্রবর্তী। তিনি একজন গেজেটেড মুক্তিযোদ্ধা। তিনি নিয়মিত মুক্তিযোদ্ধা ভাতাও পেয়ে থাকেন। কিন্তু সদ্যঘোষিত রাজাকারের তালিকায় তিনি এখন ৬৫ নম্বর রাজাকার।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন ‘ডা. মনীষার গোটা পরিবার মুক্তিযোদ্ধা পরিবার। কেবল রাজনৈতিক কারণে ওই পরিবারের মুক্তিযোদ্ধাদের নাম রাজাকারের তালিকায় দেওয়া হয়েছে।’

প্রসঙ্গত, স্বাধীনতার প্রায় ৪৮ বছর পর এবার রাজাকারদের তালিকা প্রকাশের উদ্যোগ নিয়েছে বর্তমান সরকার। প্রথম ধাপে রোববার (১৫ ডিসেম্বর) ১০ হাজার ৭৮৯ জনের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close