Uncategorizedঅন্যান্যঅপরাধআইন-বিচারআন্তর্জাতিকএশিয়া

রোহিঙ্গাদের সুরক্ষায় মিয়ানমারকে জরুরি ভিত্তিতে পদক্ষেপ নিতে, ৪ দফা  নির্দেশ আইসিজের

 

রোহিঙ্গাদের সুরক্ষায় মিয়ানমারকে জরুরি ভিত্তিতে পদক্ষেপ নিতে, ৪ দফা অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশ দিয়েছেন ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস- আইসিজে। জাতিসংঘের সর্বোচ্চ এই আদালত বলেছেন, মিয়ানমার যে রাখাইনে রোহিঙ্গা গণহত্যা চালিয়েছে, আলামতের মাধ্যমে তা প্রমাণিত হয়েছে। মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ এনে গাম্বিয়ার করা মামলার প্রেক্ষিতে আইসিজের ১৭ সদস্যের বিচারক প্যানেল আজ সর্বসম্মতিক্রমে এই আদেশ দেন।

২০১৭ সালের আগস্টে রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর পূর্ব-পরিকল্পিতভাবে জাতিগত শুদ্ধি অভিযান চালায় মিয়ানমারের সামরিক সরকার।  দেশটিতে হত্যা, ধর্ষণ ও অগ্নিসংযোগের মুখে নতুন করে প্রায় সাড়ে সাত লাখ রোহিঙ্গা পালিয়ে আসে বাংলাদেশে।  ওই ঘটনাকে গণহত্যা আখ্যা দিয়ে গেল বছরের ১১ নভেম্বর ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস- আইসিজেতে মামলা করে পশ্চিম আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়া।

বৃহস্পতিবার নেদারল্যান্ডসে, স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় আইসিজের প্রেসিডেন্ট বিচারপতি আবদুল কাভি আহমেদ ইউসুফ আনুষ্ঠানিকভাবে আদালতের আদেশ ঘোষণা শুরু করেন।  আদেশে আদালত বলেন, মিয়ানমারের উত্তর রাখাইনে গণহত্যার দায় এড়াতে পারে না মিয়ানমার।  একইসঙ্গে, বিচার স্থগিতে মিয়ানমারের আবেদন গ্রহণযোগ্য নয় বলেও জানান তিনি।

আদেশে আদালত আরও বলেন, মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর দোষী সদস্যদেরকে বিচারের আওতায় আনতে হবে।  একই সঙ্গে, রাখাইনে হত্যার হুমকিতে থাকা রোহিঙ্গাদের সুরক্ষাও দিতে হবে।  নির্দেশে, আগামী চার মাসের মধ্যে অন্তবর্তী আদেশ বাস্তবায়নের অগ্রগতিও আদালতকে জানাতে বলা হয়।

এর আগে গ্যাল ১০ থেকে ১২ ডিসেম্বর, দ্য হেগের পিস প্যালেসে ওই মামলার ওপর প্রাথমিক শুনানি হয়।  তাতে গাম্বিয়ার পক্ষে নেতৃত্ব দেন দেশটির বিচার বিষয়ক মন্ত্রী আবু বকর তামবাদু।  আর, মিয়ানমারের পক্ষে ছিলেন, স্টেট কাউন্সেলর অং সান সু-চি।  সেখানে নিজ দেশ ও সেনাবাহিনীর পক্ষে সাফাই গেয়ে, রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনের কথা অস্বীকার করেন তিনি।  এ নিয়ে বিশ্বজুড়ে সমালোচিত হন শান্তিতে নোবেলজয়ী সু-চি।

বাংলাটিভি/শহীদ

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close