কুয়াশা ও তীব্র শীতে নষ্ট হচ্ছে বোরোর বীজতলা

দিনাজপুরে ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতের কারনে, বেশ প্রভাব পড়েছে বোরো বীজতলায়। কোন কোন কৃষক বীজতলা কিছুটা রক্ষা করতে পারলেও প্রয়োজনের তুলনায় চারাগুলো সেভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছেনা বলে জানান কৃষকরা। এদিকে, কৃষি অফিস বলছে, এবার চলতি মৌসুমের চেয়ে অনেক বেশি বীজতলা মজুত রয়েছে। তাই, চাষিরা ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারবেন।
দিনাজপুরসহ উত্তরবঙ্গে গেল কয়েক দিনের শৈত্য প্রবাহের কারনে বেশ প্রভাব পড়েছে বোরো বীজতলায়। আর আক্রান্ত হচ্ছে বিভিন্ন রোগে। যে কারনে চারার পাতা শুকনো, মোড়ানো ও সাদা হয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি প্রয়োজনের তুলনায় চারার বৃদ্ধিও কম হয়েছে।
এসব রোগ বালাই থেকে বাঁচতে, কৃষকরা বিভিন্ন কীটনাশক প্রয়োগ করছেন। ফলে, বাড়তি খরচ হচ্ছে তাদের। পলিথিন দিয়ে বীজতলা ঢেকে রেখেও, শীতের কারনে চারা গজাচ্ছে না। আর কৃষি অফিস থেকেও সময় মত পরামর্শ পাচ্ছেনা বলে অভিযোগ কৃষকদের।
এদিকে, জেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ তৌহিদুল ইকবাল জানালেন, কুয়াশা ও শীতের কারনে কোন কোন এলাকায় বীজতলা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। তবে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি বীজতলা মজুত রয়েছে, ফলে চাষীদের শঙি্কত হবার কোন কারন নেই।
চলতি মৌসুমে এ জেলায় ১ লাখ ৭১ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে কৃষি বিভাগ। এ লক্ষ্যে ৯ হাজার ২৬৯ হেক্টর জমিতে বোরো বীজতলা তৈরী করছেন কৃষকরা।
মঞ্জুর আলী শাহ, দিনাজপুর প্রতিনিধি



