আইলার ১০ বছর পরেও রয়ে গেছে ক্ষত চিহ্ন

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার ভয়ংকর আইলার ১০ বছর পেরিয়ে গেলেও রয়ে গেছে তার ক্ষত চিহ্ন। তা কাটিয়ে উঠে না উঠতে ফণি ও বুলবুলের তান্ডবে বাড়ী ঘর, গাছপালাসহ লন্ডভন্ড জনপদ। এখনও স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেননি ক্ষতিগ্রস্তরা ও পদ্মপুকুরের ইউনিয়নের মানুষ।
নির্মাণ করা হয়নি বিধ্বস্ত বেড়ীবাধ, সুপেয় পানির রয়েছে তীব্র সংকট। আর স্বাস্থ্য ঝুকিতে আছে শিশু, নারী-পুরুষ।
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার খোলপেটুয়া ও কপোতাক্ষ নদী বেষ্টিত দ্বীপ গাবুরা ও পদ্মপুকুর ইউনিয়নের মানুষ। প্রলয়ংকারী জলোচ্ছ্বাস আইলায় ও বুলবুলে লণ্ডভণ্ড বয়ে যাওয়া এসব ইউনিয়নের মানুষ, ঘুরে দাড়ানোর প্রচেষ্টায় অবিরাম সংগ্রামে লিপ্ত। কিন্তু এ পথে বড় বাধা জরাজীর্ণ বেড়িবাঁধ।
নেই সুপেয় পানির ব্যবস্থা। পুকুরের মিষ্টি পানিই এ দুটি ইউনিয়নের মানুষের খাবার পানির প্রধান উৎস্য। আর তা আনতে যেতে হয় চার কিলোমিটার দুরে। এতে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও নারীরা। এলাকাবাসীর আশংকা, বেড়িবাধ ভেঙে নদীগর্ভে বিলীন হলে সরকারের কোটি কোটি টাকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ম্লান হয়ে যাবে।
এসব এলাকার বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও। বেড়িবাধ নির্মাণে পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলে জানান, জেলার প্রধান অভিভাবক এস, এম মোস্তফা কামাল।
দ্বীপ ইউনিয়ন গাবুরা ও পদ্মপুকুরের জনজীবন রক্ষায় অবিলম্বে কপোতাক্ষ ও খোলপেটুয়া নদীর টেকসই বেড়িবাধ দ্রুত সংস্কারের দাবি এলাকাবাসীর।
গোপাল কুমার, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি



