দেশবাংলা

প্লাষ্টিকের ফিতা দিয়ে অপূর্ব শিল্পকর্ম

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার সাগরদী গ্রামের এক নারী প্লাষ্টিকের ফিতা দিয়ে ঝুঁড়ি, ডালা, খাচি ও কুলায় সফলতার বীজ বুনছেন। বিদেশ থেকে আমদানিকৃত পণ্য মোড়ানো প্লাস্টিকের ফিতাগুলোই তার উপার্জনের অন্যতম বস্তু। তাকে দেখে প্রত্যন্ত অঞ্চলের অনেক নারী অব্যবহৃত প্লাষ্টিকের ফিতা দিয়ে নতুন নতুন পণ্য তৈরি করে আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠছেন।

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার বামনী ইউনিয়নের সাগরদী গ্রামের শারমিন আক্তার। স্বামী আবদুল কাদের অসুস্থ। ৬ ছেলে-মেয়ে নিয়ে জরাজীর্ন ঘরে তাদের বসবাস। ছেলে-মেয়েদের খরচ চালাতে বিদেশ থেকে আমদানিকৃত পণ্য মোড়ানো প্লাস্টিকের ফিতা দিয়ে ঝাঁপি, খাঁচি, ঝাঁকা, ঘরের সিলিং, টুকরি, ডালা, কুলাসহ, বিভিন্ন পণ্য তৈরি করা শুরু করেন।

পণ্যগুলোর চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তোলেন, কারুকাজের অপূর্ব এ শিল্পের সঙ্গে। আর এখন এ শিল্পের প্রতি পুরোপুরি নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন তিনি।

অব্যবহার্য ফিতাগুলো ব্যবহার করে শারমিনের মতো অনেকে নতুন জিনিস তৈরি করে আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠছেন। তবে প্লাটিকের ফিতা সহজলভ্য না হওয়ায়, আর ঢাকা থেকে ক্রয় করতে গিয়ে হিমসিম খেতে হয় তাদের। তাই স্বল্পসুদে সরকারিভাবে ঋণ ও প্রশিক্ষণ পেলে, এই শিল্পকে আরো সম্প্রসারণ করা সম্ভব বলে জানান উদ্যোক্তারা।

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র কুটির শিল্প নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য স্বল্পসুদে ঋণ ও প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা করলে প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোতে এ ধরনের উদ্যোক্তা বাড়বে এবং এ শিল্প বেঁচে থাকবে বলে জানান, জেলা বিসিক শিল্প নগরীর সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো:শাহরিয়ার খান।

সংস্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সহজশর্তে ঋণ সুবিধা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নতুন নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে সহায়তা করবে এমন প্রত্যাশা সবার।

জামাল উদ্দিন, লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button