এখনো আতঙ্কে এলাকাবাসী

কসবায় নলকূপ স্থাপনের সময় ভূ-অভ্যন্তরের গ্যাস-বালু উদগীরণে স্কুল প্রাঙ্গনের মাটি ধসে পড়ার ঘটনায় এখনো আতংকে রয়েছে এলাকাবাসী। এখন গ্যাস উঠার প্রাবল্য কমে গেলেও এখনো বের হচ্ছে বুদবুদ। বড় দুর্ঘটনা এড়াতে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ক’দিন আগে স্কুলের নলকূপ স্থাপনের সময় খনন করা পাইপ দিয়ে ভূ-অভ্যন্তরের গ্যাস উদগিরণের ঘটনা ঘটে। প্রবল বেগে কাদা-বালু নিয়ে উঠে আসে গ্যাস। টানা ৫৮ ঘণ্টা গ্যাস উদগিরণের ফলে ধসে যায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণের মাটি।
কসবা সীমান্তবর্তী বিদ্যানগর গ্রামের শেরেবাংলা উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে এই গ্যাস উঠা আপনা থেকেই কমে যায়। স্থানীয়দের মাঝে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও শনিবার সকাল থেকে ফের শুরু হয় গ্যাস উদগিরণ। তবে আগের মতো বেগ নেই।
গ্যাসের চাপে বালুসহ পানি বের হওয়ার কারণে বিদ্যালয়ের শহীদ মিনার, সীমানা প্রাচীর ও দুটি গাছ ভেঙে গেছে। অর্ধেক মাটির নিচে চাপা পড়েছে বিদ্যালয়ের একটি ভবন। এতে করে যেকোনো সময় ভয়াবহ দুর্ঘটনার আশংকা রয়েছেন শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসী।
গ্যাসের উদগিরন কমে গেলেও বিপদ এড়াতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক ব্যবস্থা রাখা হয়েছে বলে জানান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদ উল আলম।
পরে ঘটনাস্থল পরিদর্শক শেষে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, ঘটনার দিন থেকেই পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যানের সাথে হয়েছে। তারা একটি দল গ্যাস পরীক্ষা করছেন। পর্যবেক্ষনের পর বুঝা যাবে আসল বিষয়টি। তবে, দুর্ঘটনা এড়াতে এখনও স্থানীয়দের রান্নার কাজেও সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
রুবেল আহমেদ, কসবা প্রতিনিধির প্রতিনিধি



