দেশবাংলা

ভেজাল কীটনাশকে ৩৩ কৃষকের আলুর ক্ষেত নষ্ট

জয়পুরহাটের ৩৩ কৃষকের আলুর ক্ষেত নষ্ট হয়েছে। চাষিদের অভিযোগ, স্থানীয় এক ডিলারের কাছ থেকে আলুর ফলন ভালো হওয়ার কীটনাশক কেনেন তারা, সেটি গাছে প্রয়োগ করার পর পাতায় পচন ও গাছ শুকিয়ে যায়।

কীটনাশক কোম্পানীর পক্ষ থেকে চাষীদের ক্ষতিপূরণের আশ্বাস দেয়া হলেও, কোন টাকা পায়নি তারা। এদিকে, দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার তাগিদ দিয়েছে কৃষি বিভাগ।

ইস্পাহানী কীটনাশক কোম্পানী তাদের প্রতিনিধির মাধ্যমে জয়পুরহাটের ক্ষেতলালের মাটিরঘর, কৃষ্ণনগর গ্রামের আলু চাষীদের বায়োডার্মা নামে কীটনাশক প্রয়োগের পরামর্শ দেন।

‘বায়োডার্মা কীটনাশকটি আলুর ক্ষেতে স্প্রে করলে আর অন্য কোন ঔষধ দিতে হবে না’- এসব কথায় প্রলুব্ধ হয়ে চাষীরা স্থানীয় কীটনাশক ডিলার এমডিএন্টার প্রাইজ থেকে সেটি কিনে ক্ষেতে প্রয়োগ করেন। এর ২/৩ দিন পরই আলুর পাতা পচন ও গাছ শুকিয়ে মরতে শুরু করে। কিন্তু কোম্পানী কৃষকদের ক্ষতিপূরণ দেয়ার আশ্বাস দিলেও তারা পায়নি কোন টাকা।

আলু চাষিদের উদ্বুদ্ধ করে কীটনাশক দেয়ায় ফসল নষ্ট হওয়ার কথা জানালেন, উপজেলা চেয়ারম্যান মোস্তাকিম মন্ডল। আলু চাষিদের ক্ষতির কথা স্বীকার করে কোম্পানীকে ক্ষতিপূরণ দেয়ার তাগিদ দিয়েছে জেলা কৃষিবিভাগ।

কীটনাশক ডিলার এমডিএন্টার প্রাইজে যোগাযোগ করা হলে ম্যানেজার ক্যামেরা দেখে সটকে পড়েন। কোম্পানীর প্রতিনিধিরাও এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি।

রেজাউল করিম, জয়পুরহাট প্রতিনিধি

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button