ইউরোপে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে বাংলাদেশিরা

জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ১০ থেকে ১৫ লক্ষ টাকা খরচ করে ইউরোপ এ পৌঁছার পরও, অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে পা বাড়াচ্ছেন, বাংলাদেশিসহ হাজার হাজার শরণার্থী আশ্রয় প্রার্থী।
গ্রীসের লেসবোস থেকে একদিনে ৩০ জন প্রত্যাখ্যাত শরণার্থী আশ্রয়প্রার্থীকে তুরস্কে ফেরত পাঠানো হয়েছে। আনুষ্ঠানিকভাবে বছরের শুরুতে সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে পাশকৃত নতুন আইনের আওতায়, এই প্রথম একটি দলকে দু’দেশের সমঝোতায় নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চালু করেছেন, গ্রিক সরকার।
৩০ জনের মধ্যে ২ জন সিরিয়ান, ২২ জন পাকিস্তানী এবং ৬ জন বাংলাদেশি রয়েছেন। মানবাধিকার সংগঠনের আন্দোলনকে প্রতিহত করাসহ জবাদিহিতা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য, সাংবাদিকদের কোন রকম রিপোর্ট করতে দেয়নি স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন। গ্রীক দ্বীপগুলোতে উপচে পড়া শরণার্থীদের ভীড় দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে।
নতুন গ্রীক নীতি সত্ত্বেও,গ্রীক দ্বীপপুঞ্জের শিবিরগুলো মারাত্মকভাবে জনাকীর্ণ রয়েছে। ইউএনএইচসিআর এর তথ্য অনুসারে, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরের শেষে গ্রিসে ১,১২,৩০০ শরণার্থী এবং অভিবাসী পৌঁছেছে। আগামীতে গ্রীসসহ ইউরোপ এর সকল দেশে অভিবাসন আইন আরো কঠোর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ইউরোপিয় ইউনিয়ন।
গ্রীসে বসবাসরত সকল প্রবাসী বাংলাদেশিদের, আইনি কাগজপত্র ছাড়া বাইরে চলাফেরা করতে সাবধানতা অবলম্বন করতে অনুরোধ করা যাচ্ছে।
জাকির হোসাইন, গ্রীস প্রতিনিধি



