দেশবাংলা

গাজরের কমলা রঙে ছেয়ে গেছে আশুলিয়া

শিল্পাঞ্চল খ্যাত আশুলিয়ায় এবার গাজরের বাম্পার ফলন হয়েছে। প্রকৃতি সেজেছে গাজরের কমলা রঙে। চোখ জুড়ানো ফলনে কৃষকের হৃদয়ে এনেছে স্বস্তির পরশ। তবে বানিজ্যিকভাবে গাছর চাষ হলেও, চায়না থেকে দেশে গাজর আসায়, দাম কিছুটা কম পাচ্ছেন বলে জানায়, চাষি ও ব্যাবসায়ীরা।

আশুলিয়ার ইছাপুরা ও এর আশপাশের গ্রামগুলোতে এবার গাজরের বাম্পার ফলন হয়েছে। যেদিকে চোখ যায়, শুধু গাছরের ক্ষেত। উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলে বেলে ও দোঁআশ মাটি হওয়ায়, এ অঞ্চল গাজর চাষে জন্য বেশ উপযোগী। তাই এ অঞ্চলের অন্য ফসলের তুলনায় ফলন বেশী পাওয়ার আশায়, গাজর চাষে ঝুঁকছেন, কৃষকরা।

সঠিকভাবে পরিচর্যা করা হলে তিন মাসের মধ্যে বাম্পার ফলন পাওয়া সম্ভব। এবার এক বিঘা জমির গাজর ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা দরে ব্যাপারীরা কিনলেও, চায়না থেকে দেশে গাছর আসায় একটু কমদামে বিক্রি হচ্ছে বলেও জানান, তারা।

গাজরে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ ও ডি আছে। পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ইনফেকশনের হাত থেকে রক্ষা করে। তাই গাজর আমাদের খাদ্য তালিকার অন্যতম একটি উপাদান বলে জানালেন, মেডিসিন ও চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ রুমান বাদশাহ।

আশুলিয়ার মাটি গাজর চাষের জন্য উপযোগী হওয়ায় এ চাষে দিনদিন আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদেরএছাড়া কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে সহযোগীতা করায় ফলনও ভাল হয়েছে উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ নাজিয়াত আহমেদ।

এবছর সাভার ও আশুলিয়ায় প্রায় ১শ হেক্টর জমিতে গাজর চাষ হয়েছে। চীন থেকে গাজর আমদানী বন্ধ ও সরকারিভাবে সহায়তা পেলে সাভারে গাজর চাষ আরো সমৃদ্ধ হবে বলে মনে করেন, সংস্লিষ্টরা।

খন্দকার আলমগীর হোসেন, আশুলিয়া প্রতিনিধি

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close