
সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) শিল্প ঋণ’ নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে বৈঠক করেছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক সমিতি। চলচ্চিত্র শিল্পের নানান সমস্যা নিয়ে সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে একের পর এক বৈঠক করছে সমিতি। এরই ধারাবাহিকতায় এবার বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবিরের সঙ্গে কথা হয়েছে জানিয়ে প্রযোজক সমিতির সভাপতি খোরশেদ আলম খসরু বলেন, ‘গভর্নর সাহেব আমাদের শুনেছেন এবং তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে অফিসিয়ালি আমরা কী কী চাই তা চিঠি আকারে দিতে বলেছেন। মন্ত্রণালয় থেকে জানালে অবশ্যই তা বিবেচনা করবেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘চলচ্চিত্রকে শিল্প ঘোষণা করা হয়েছে ৭ থেকে ৮ বছর আগে। কিন্তু এখন পর্যন্ত শিল্পের যেসব সুযোগ-সুবিধা আমাদের পাওয়ার কথা তার কোনোটিই পাইনি। আমরা এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক কাজী ছাইদুর রহমানের সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি আমাদের কথা মনযোগ দিয়ে শুনেছেন এবং এ ব্যাপারে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।’
‘আমাদের এখানে কেউ সিনেমা হল নির্মাণের সরঞ্জাম ও ক্যামেরা আমদানি করতে চাইলে ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কর দিতে হয়। অথচ শিল্প হিসেবে আমরা এটা পাওয়ার কথা ২ থেকে ৩ শতাংশ করে। এছাড়া সিনেমা নির্মাণ করতে চাইলে কোন ঋণ পাই না। সিনেমা নির্মাণের জন্য আমাদের স্বল্প সুদে ঋণ দিতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘কত টাকা ঋণ আমরা পাব তার কোনো লিমিট চাই না। ধরেন কেউ একজন আন্তর্জাতিক মানের সিনেমা হল বানাবেন। তার দরকার ১০ কোটি টাকা, তাকে আপনি দিলেন ৩ কোটি। সে তো ওই টাকা দিয়ে কিছুই করতে পারবে না। আয়ও হবে না ঠিক মতো। ফলে ঋণের কিস্তি দিতে পারবে না।’
উল্লেখ্য, চলচ্চিত্রে মন্দার কারণে ২০১০ সালের একে ‘শিল্প’ হিসেবে ঘোষণার দাবি করা হয়। সে দাবি অনুযায়ী ২০১২ সালের ৩ এপ্রিল মেনে চলচ্চিত্রকে শিল্প হিসেবে ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার ঘোষণা অনুযায়ী ২৪ এপ্রিল শিল্প মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে। যাতে বলা হয়েছিল অন্যান্য শিল্পের মতোই চলচ্চিত্রও সুযোগ-সুবিধা পাবে।



