অন্যান্যবাংলাদেশ

পুকুর খনন শিখতে বিদেশ যাবেন ১০০ কর্মকর্তা

এবার ৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে পুকুর ও খাল উন্নয়ন শিখতে বিদেশ সফরে যাবেন ১০০ কর্মকর্তা। তবে অনুমোদিত মূল প্রকল্পে বিদেশে প্রশিক্ষণের জন্য ২৪ জনের কথা বলা ছিল। সেখানে ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছিল ১ কোটি ৪৪ লাখ টাকা।

এখন নতুন করে ৭৬ জন কর্মকর্তা যোগ করার প্রস্তাব দেয়ায় বাড়তি ৬ কোটি ৬ লাখ টাকা ব্যয় হবে। এছাড়া বাড়ছে পরামর্শকের সংখ্যা ও এ খাতের ব্যয়ও। সেইসঙ্গে নানা কারণে বাড়ছে প্রকল্পের মোট ব্যয়। যেটি মূল প্রকল্পের তুলনায় ৩৬ কোটি ২২ লাখ টাকা বেশি।

‘সারাদেশে পুকুর, খাল উন্নয়ন’ প্রকল্পের প্রথম সংশোধনী প্রস্তাবে উঠে এসেছে এসব তথ্য। আগামী ৮ মার্চ এই প্রস্তাবের ওপর অনুষ্ঠিত হবে প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভা। এতে সভাপতিত্ব করবেন কমিশনের কৃষি, পানি সম্পদ ও পল্লী প্রতিষ্ঠান বিভাগের সদস্য (সচিব) মো. জাকির হোসেন আকন্দ।

পিইসি সভার জন্য তৈরি করা কার্যপত্রে বলা হয়েছে, মূল প্রকল্পে ৫ জন পরামর্শকের জন্য ব্যয় ধরা ছিল ৩ কোটি ৪২ লাখ টাকা। কিন্তু প্রস্তাবিত সংশোধনীতে পরামর্শক সংখ্যা বাড়িয়ে ২৯ জন করা হয়েছে। এ খাতে ব্যয় প্রাক্কলন করা হয়েছে ৩৯ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। যেটি মূল প্রকল্পের তুলনায় ৩৬ কোটি ২২ লাখ টাকা বেশি।

কার্যপত্রে উল্লেখ করা হয়, সারাদেশে পুকুর, খাল উন্নয়ন প্রকল্পটির মূল ব্যয় ছিল ১ হাজার ৩৩৪ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। সেখান থেকে ৯১৯ কোটি টাকা বাড়ানো হচ্ছে। ফলে মোট ব্যয় দাঁড়াচ্ছে ২ হাজার ২৫৪ কোটি ৬৯১ লাখ টাকা। এক্ষেত্রে ব্যয় বাড়ছে ৬৮ দশমিক ৯১ শতাংশ। সেই সঙ্গে মেয়াদও বাড়ছে এক বছর।

এর আগে ‘পুকুর পুনঃখনন ও ভূ-উপরিস্থ পানি উন্নয়নের মাধ্যমে ক্ষুদ্র সেচে ব্যবহার’ নামের একটি প্রকল্পে ১৬ কর্মকর্তার বিদেশ সফরের ঘটনায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছিল।– যুগান্তর

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close