অবৈধ এনজিওর থাবায় তছনছ গাইবান্ধার নিম্ন আয়ের মানুষ

অবৈধ এনজিওর থাবায় তছনছ হয়ে গেছে গাইবান্ধার নিম্ন আয়ের মানুষের সংসার। অসহায় মানুষকে নানা প্রলোভন দেখিয়ে এক শ্রেনির অসাধু মানুষ বিভিন্ন এনজিওর নাম ভাঙ্গিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা।
কষ্টের টাকা ফেরত চান এসব ভুক্তভোগিরা। আর সব অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের আশ্বাস প্রশাসনের।
গাইবান্ধার চরাঞ্চল বেষ্টিত সদর, সাঘাটা, ফুলছড়ি, গোবিন্দগঞ্জ ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় ‘আশার আলো প্রভাতী সংস্থার’ কয়েকটি শাখা খুলে শতাধিক গ্রাম থেকে লক্ষাধিক মানুষকে মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ ওঠেছে সংস্থার চেয়াম্যান শফিকুল ইসলামসহ কর্মচারীদের বিরুদ্ধে।
শুরুতে চাল, ডাল, তেল, সেমাই, চিনিসহ কিছু খাদ্যদ্রব্য বিতরণ করে সাধারণ মানুষকে লোভের ফাঁদে ফেলে কল্যাণ ভাতা, শিক্ষা ভাতা ও ঢেউটিন বিতরণের নামে টাকা হাতিয়ে নেয় সংস্থাটি। প্রাথমিক তদন্তে সমাজ সেবা অফিস সংস্থাটিকে অবৈধ ঘোষনার পরই টাকা ফেরতের দাবি জানান ভুক্তভোগি পরিবারের সদস্যরা।
সংস্থাটির চেয়াম্যান শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন, স্থানীয়রা। তবে বিষয়টি অস্বীকার করে, বিভিন্ন কুচক্রি মহল তার বিরুদ্ধে আপপ্রচার চালাচ্ছে বলে জানালেন, আশার আলো প্রভাতী সংস্থার চেয়াম্যান জানান শফিকুল ইসলাম সাজু।
এদিকে, অভিযুক্ত সংস্থার বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানান, গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার আবু সুফিয়ান।
অবৈধ সংস্থার কার্যক্রম বন্ধ করে ভুক্তভোগি গ্রাহকদের টাকা ফেরতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের সহায়তা চেয়েছেন ভুক্তিভোগীরা।
জাহিদ খন্দকার, গাইবান্ধা প্রতিনিধি



