করোনা : বিপাকে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের শ্রমজীবি পরিবার

দেশের বিভিন্নস্থানে করোনার প্রভাব পড়েছে, গরু-মুরগির খামারসহ ব্যবসা বানিজ্যে। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন খামারী ও ব্যবসায়ীরা্। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলসহ চরাঞ্চলগুলোতেও কর্মহীন হয়েছে পড়েছে অসংখ্য শ্রমজীবি পরিবার।
প্রশাসন ও বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে খাবারসহ নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দিলেও, শঙ্কা কাটছে না কারোই।
করোনার প্রভাব পড়েছে দিনাজপুরের গরুর খামার গুলোতে। পানির দামে দুধ বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন খামারীরা। সরকারীভাবে প্রনোদনা দেয়া হলে খামারীরা উপকৃত হবে বলে মুঠোফোনে জানান, দিনাজপুর জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা শাহিনুর আলম।
করোনার প্রভাবে শেরপুরে কমেছে ব্রয়লার মুরগির দাম। চাহিদা কমে যাওয়ায় উৎপাদন খরচের চেয়ে ৩০ থেকে ৪০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে মুরগি। এতে লোকসানের মুখে খামারিরা।
সরকারিভাবে প্রশিক্ষণ ও প্রনোদনাসহ নানাভাবে খামারিদের সাহায্যের কথা জানান শেরপুর সদর প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ডাঃ পলাশ কান্তি দত্ত ।
এদিকে, দেশে পেঁয়াজ আবাদে বর্তমানে ২য় স্থানে রয়েছে ফরিদপুর। এবছর জেলার বোয়ালমারী ও আশপাশের উপজেলাগুলোতে লক্ষমাত্রা ছাড়িয়ে গেলেও, মৌসুমের শুরুতে করোনা আতঙ্কে পেঁয়াজের দাম হঠাৎ কমে যাওয়ায় বিপাকে চাষীরা।
তবে তেমন ক্ষতির সম্মূখিন হতে হবেনা বলে দাবী বোয়ালমারী,ফরিদপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রীতম কুমার হোড়।
ঝালকাঠির চরাঞ্চলে করোনা পরিস্থিতিতে কর্মহীন হয়ে পড়েছেন অসংখ্য শ্রমজীবি পরিবার। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সামগ্রী বিতরণের কর্মসূচি চললেও, তা প্রয়োজনের তুলনা অপ্রতুল।
ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক মোঃ জোহর আলী জানান, ত্রাণ সামগ্রী দেয়া হচ্ছে, আগামীতেও এটা অব্যাহত থাকবে। চাঁদপুরে ৩শ দরিদ্র ও খেটে খাওয়া মানুষের প্রতিদিনের দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা করেছে জেলা প্রশাসন।
চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মাহমুদ জানান, জেলা প্রশাসনের ভিক্ষুক মুক্ত তহবিলের অর্থায়নে প্রতিদিন একবার খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
বৈশ্বিক মহামারী করোনা সংকট কাটাতে সরকারের পাশাপাশি বিত্তবানরা এগিয়ে আসবেন এমন প্রত্যাশা সবার।



