
আইইডিসিআরের পরিচালক ডা. মীরজাদি সেব্রিনা ফ্লোরা বলেছেন, করোনায় আক্রান্তের বয়স ভিত্তিক বিভাজন করলে সর্বোচ্চ সংক্রমিত হয়েছেন ২১-৩০ বছরের মানুষ, শতকরা ২১ ভাগ। এরপর ৩১-৪০ বছরের শতকরা ১৯ ভাগ ও ৪১ থেকে ৫০ বছরের শতকরা ১৫ ভাগ।
এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ২১-৩০ বয়সের মানুষ বেশির ভাগ আক্রান্ত। এছাড়া পুরুষ ও নারীদের আক্রান্তের হার বের করলে দেখা গেছে ৬৮ ভাগ পুরুষ, ৩২ ভাগ নারী।
ফ্লোরা আরো বলেন, জায়গার বিশ্লেষণে দেখা গেছে ঢাকায় শতকরা ৪৬, নারায়নগঞ্জ ২০ এরপর গাজীপুর। চট্টগ্রাম ও মুন্সিগঞ্জ এসব এলাকায় রোগির সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সেক্ষেত্রে ঢাকার শহরে দেখলে সবচেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে সংক্রমণ মিরপুর। প্রথমে শুধু টোলারবাগে হলেও করোনা ছড়িয়েছে। মিরপুরে সংক্রমণের হার শতকরা প্রায় ১১ ভাগ, মোহম্মদপুর, ওয়ারী, যাত্রাবাড়ী ৪ ভাগ করে সংক্রমিত।
যারা করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন তাদরে শতকরা ৬১ ভাগ বাসায় থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। বাকি শতকরা ৩২ ভাগ হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এই ৩২ ভাগের অনেকেরই হাসপাতালে যাওয়ার প্রয়োজন ছিলো না। কিন্তু বিবিধ কারণে তারা হাসপাতালে ছিলেন।
শুক্রবার অনলাইন স্বাস্থ্য বুলেটিনে আইইডিসিআর সূত্রে জানা যায়, নমুনা সংগ্রহের পর গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত রোগি ২৬৬ জন। এদের নিয়ে এই পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ১৮৩৮ জন।



