
ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের কোভিড-১৯ চিকিৎসায় নিয়োজিতদের থাকা-খাওয়া বাবদ একমাসে ২০ কোটি টাকা খরচের তথ্য নিয়ে সমালোচনার ঝড় সব মহলে। বিষয়টি নিয়ে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকেও ক্ষোভ প্রকাশ করে তদারকির নির্দেশ দেয়া হয়।
বুধবার সংবাদ সম্মেলন করে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায় ঢামেক কর্তৃপক্ষ। প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক দাবি করেন, অতিরিক্ত বিলের ভিত্তিহীন অভিযোগ আনা হয়েছে। এসময় যাবতীয় খরচের হিসাব দেন তিনি।
একটা কলা ২ হাজার টাকা, একটা ডিম ১ হাজার, দুই টুকরো পাউরুটির দাম ৬ হাজার টাকা। অবাক হলেও একমাসে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনা চিকিৎসায় নিয়োজিত ২০০ জনের খাবারের বিল ২০ কোটি টাকা দেখানো হয়েছে। কদিন ধরে সামাজিক মাধ্যমে বিষয়টি আলোচনায় এলে, স্বাস্থ্যখাতসহ সংশ্লিষ্টরা নড়েচড়ে বসেন।
সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকেও ক্ষোভ জানিয়ে দ্রুত এ বিষয়ে খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেয়া হয়। তবে বাজেট ছাঁটাই প্রস্তাবের সময়, স্বাস্থ্যখাতের বর্তমান অবস্থার সমালোচনা উঠে আসলে মন্ত্রী সাফাইয়ে বলেন, মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন সমন্বহীনতার কথা।
বিষয়টি নিয়ে বুধবার সকালে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এসময় ঢামেক পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিন দাবি করেন, একমাসে হাসপাতালের ২০০ জন চিকিৎসকের খাবারের বিল ২০ কোটি টাকা বলে যে খবর প্রচারিত হয়েছে, তা সঠিক নয়।
তিনি বলেন, শুধুমাত্র খাওয়া খরচ নয়, হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীসহ সব স্টাফদের যাতায়াত, হোটেল ভাড়া ও অন্যান্য খরচ মিলিয়ে ২ হাজার ২৭৬ জনের দুই মাসের যাবতীয় বিলের হিসাব এগুলো। ভিত্তিহীন অভিযোগ এনে অপপ্রচার চালানো হয়েছে বলে দাবি করেন ঢামেক পরিচালক।
বুলবুল আহমেদ, বাংলাটিভি



