ডেঙ্গু নিধনে নামমাত্র মূল্যে সেবা দেবে ডিএনসিসি

অনলাইনে নাগরিকরা জানাতে পারবেন মশার তথ্য। আর অভিযোগ পাওয়ার ৩ দিনের মধ্যে ব্যবস্থা নেবে দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন। দক্ষিণ সিটিতে এমন সেবা চালু করলেন মেয়র ব্যরিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস। তবে স্থাপনার ক্যাটাগরী ও সেবা অনুযায়ী নামমাত্র মূল্য পরিশোধ করতে হবে।
বুধবার (১লা জুলাই) দুপুরে নগর ভবনে তিনি মশার প্রজননস্থল শনাক্ত ও কীটনাশক ছিটানো’র অনলাইন আবেদন কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।
এ সেবায় অনলাইনেই অভিযোগ বা তথ্য দিতে পারবেন নাগরিকরা। এরপর ওয়ার্ড ভিত্তিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে এ সেবা। সিটি কর্পোরেশনের ওয়েবসাইটে আবেদন করার পর টাকার বিনিময়ে মশা নিধন বা মশার লার্ভা ধ্বংসে প্রয়োজনীয় সেবা নিতে পারবেন।
বাসা বাড়িতে বা বেজম্যান্টে কিংবা নির্মাণাধীন বাসা বাড়িতে মশার লার্ভা বা লার্ভার বিস্তারক্ষেত্র রয়েছে কিনা, সেটা আমাদের পক্ষে জানা সম্ভব না৷ কিন্তু মানুষের বাসাবাড়িতে বা নির্মাণাধীন বাড়িতে বা মানুষের বাসার ফুলদানি-টব-টায়ারে মশার বিস্তার হয় সেটা আমরা জানি।
এ ধরনের সমস্যাগুলো সমাধানের জন্যই বছরব্যাপী মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমের কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এখন থেকে ঢাকাবাসীর জন্য অনলাইনে আবেদনের ভিত্তিতে মশার প্রজননস্থলে কীটনাশক ছিটানোর উদ্যোগ নিয়েছে। আশাকরি, এর মাধ্যমে ঢাকাবাসীকে ডেঙ্গুর প্রকোপ থেকে মুক্তি দিতে পারবো। আমরা ঢাকাবাসীকে ডেঙ্গুর প্রকোপ থেকে মুক্তি দেবো।
সেবা পেতে সেবাগ্রহীতাকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ওয়েব পোর্টাল www.dscc.gov.bd এর নিদিষ্ট লিংকের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। পাঁচটি ক্যাটাগরিতে সেবা গ্রহণ করা যাবে এবং সেবা গ্রহীতাকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ সেবা মূল্য হিসেবে প্রদান করতে হবে। আবেদনের পর ৩ কার্যদিবসের মধ্যে এই সেবা প্রদান কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।
স্থাপনার ক্যাটাগরী ও সেবার হার নিম্নরুপঃ
ক) ৩ (তিন) কাঠা পর্যন্ত এক ইউনিট বাড়ি(৫ তলা পর্যন্ত) – ২০০০ টাকা
খ) ৩-৫ কাঠা পর্যন্ত ফ্ল্যাট বাড়ি (প্রতি ফ্লোর) – ২৫০০ টাকা
গ) ৫- ১০ কাঠা পর্যন্ত এ্যাপার্টমেন্ট ১০ তলা পর্যন্ত (প্রতি ফ্লোর) – ৩৫০০ টাকা
ঘ) এ্যাপার্টমেন্ট ১০ তলার উপরে বেজমেন্টসহ – ৫০০০ টাকা
ঙ) বাণিজ্যিক ভবন – ৮০০০ টাকা



