
করোনা টেস্ট ও চিকিৎসায় দুর্নীতির দায়ে সিলগালা করা রিজেন্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছে ভুক্তভোগিরা। রোগিভর্তির নামে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে। এদিকে, রিজেন্টে মালিক সাহেদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে ইমিগ্রেশন বিভাগকে চিঠি দিয়েছে ডিএমপি। এছাড়া রাজধানীর নাখালপাড়া থেকে সাহেদের সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
দেশে যখন কোভিড-১৯ মহামারি আকার ধারণ করেছে তখন সাধারণ রোগিদের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে করোনা পরীক্ষার নামে কোটি টাকা কামাচ্ছিল রিজেন্ট হসপিটাল।
শুধু করোনা পরীক্ষা নয়, রোগিদের ভর্তি করে রিজেন্ট হসপিটাল হাতিয়ে নিয়েছে বিপুল অংকের টাকা। প্রতিবাদে করলে উল্টো নানাভাগে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে রোগি ও স্বজনদের রিজেন্ট কর্তৃপক্ষের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবী ভুক্তভোগিদের। রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যানের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে ইমিগ্রেশনকে চিঠি দেয়া হয়েছে বলে জানানো হয় পুলিশের পক্ষ থেকে। এদিকে, শাহেদের অন্যতম সহযোগি রিজেন্ট হাসপাতালের মুখপাত্র তরিকুল ইসলামকে সকালে রাজধানীর নাখালপাড়া থেকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সাথে তোলা ছবিকেও, হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতো শাহেদ।
গত ৬ জুলাই রিজেন্ট হাসপাতালের উত্তরা ও মিরপুর শাখায় অভিযান চালায় র্যাব এবং রিজেন্টের প্রধান কার্যালয়, উত্তরা ও মিরপুর শাখা সিলগালা করে দেওয়া হয়। গত ৭ জুলাই রাতে উত্তরা পশ্চিম থানায় ১৬ জনকে আসামি করে একটি মামলা করা হয়। এতে রিজেন্ট হাসপাতালের উত্তরা শাখা থেকে আটক আটজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এ ছাড়া রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদসহ নয়জনকে পলাতক আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
বাংলাটিভি/শহীদ



