
যমুনাসহ অন্যান্য নদ-নদীর পানি কমতে থাকায় দেশের বেশ কয়েকটি জেলায় বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে। তবে পানি সম্পূর্ণ নেমে না যাওয়ায় দুর্ভোগে রয়েছে নিম্নাঞ্চলের বানভাসীরা। দীর্ঘ বন্যায় কর্মহীন হয়ে পড়া চরাঞ্চলের মানুষজন খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও গো-খাদ্যের সংকট নিয়েই দিনযাপন করছেন।
কুড়িগ্রামে নদ-নদীর পানি কমতে থাকায় জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির অনেকটাই উন্নতি হয়েছে। তবে নিম্নাঞ্চলের ঘর-বাড়ি থেকে এখনও পুরোপুরি পানি না নামায় দুর্ভোগে রয়েছে বন্যা কবলিতরা।
সিরাজগঞ্জে সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির আরো উন্নতি হয়েছে। বর্তমানে যমুনার পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও কিছু কিছু বাড়ি-ঘর থেকে পানি নেমে যাওয়ায় বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নেয়া অনেকেই ফিরতে শুরু করেছে।
গাজীপুরে তুরাগ,বংশী ও ঘাটাখালী নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। তবে, এখনো পানিবন্দি সাড়ে ১৮ হাজারের বেশি পরিবার। রাস্তাঘাট ও নলকুপ তলিয়ে যাওয়ায় বিশুদ্ধ পানির সঙ্কটসহ চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে বানভাসীদের।
পদ্মার তীব্রস্রোত ও ভাঙ্গন আতঙ্কে শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী নৌ-রুটে ৮ টির বেশি ফেরি চালাতে পারছেনা বিআইডাব্লিটিসি। দুর্ঘটনা এড়াতে বন্ধ রয়েছে ৬ টি ফেরি। ফলে শিমুলীয়া ঘাটে যানবাহনের চাপ কিছুটা কম থাকলেও যানবাহনের চাপ রয়েছে কাঠালবাড়ী ফেরি ঘাটে।
বাংলাটিভি/শহীদ



